বীরভূম থেকে সরল বগটুই মামলা। এবার থেকে পূর্ব বর্ধমান আদালতে শুনানি হবে। আজ, বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বগটুই কাণ্ডের তদন্তে অসুবিধা হচ্ছে, তা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। সেই মামলার শুনানিতে বগটুই মামলা অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। পাশাপাশি জেলা জজের থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বুধবার মামলাটি ওঠে বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে। শুনানি পর অন্য জেলায় মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। অবশ্য রাজ্যে এই প্রথম নয়, কামদুনির মতো মামলাও আগে অন্য আদালতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২১ মার্চ রামপুরহাট শহর লাগোয়া ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় তৃণমূল নেতা তথা বড়শাল পঞ্চায়েতের ভাদু শেখকে। ওই খুনের বদলা নিতে এক শিশুকন্যা-সহ ১০ জনকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠে ভাদু ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মুল অভিযুক্ত লালন শেখকে ঘটনার ন’মাস পর গ্রেপ্তার করে সিবিআই। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে সিবিআই হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় লালনের। ঘটনার পর ফের উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। রাতারাতি সিবিআই রামপুরহাটের অস্থায়ী অফিস গুটিয়ে চলে যায়। কিন্তু সিবিআই অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিয়ে তদন্ত থামায়নি। নিজেদের গতিতে তদন্ত চালাতে শুরু করে।
উল্লেখ্য, নৃশংস সেই গ্ণহত্যার পরে রাজ্য সরকার সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সিটের কাছ থেকে তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। সিটের পক্ষ থেকে ৩৩ জনের নামে গণহত্যার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পরে তিনজনের নাম যুক্ত করা হয় অভিযোগে। সেই তদন্তে কিছু অসুবিধা হচ্ছে জানিয়ে আদালতে যায় সিবিআই। তাতেই মামলা পূর্ব বর্ধমানে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিল আদালত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী