Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু বাবার! দেহ বাড়িতে ফেলে শুনানি কেন্দ্রে ছুটতে হল দুই ছেলেকে

মৃতের দুই ছেলের ডাক পড়েছিল এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে। কিন্তু কয়েকঘণ্টা আগেই বাড়িতে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। তবে নোটিস অনুযায়ী, শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন মৃত প্রৌঢ়ের দুই ছেলে।

Advertisement
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৩:৪৪

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৩:৪৪

options
link
এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু বাবার! দেহ বাড়িতে ফেলে শুনানি কেন্দ্রে ছুটতে হল দুই ছেলেকে zoom
প্রতীকী ছবি।

এসআইআর আতঙ্কে সাতসকালেই প্রাণ হারিয়েছেন বাবা! মৃতদেহ বাড়িতে ফেলেই শুনানি কেন্দ্রে ছুটলেন দুই ছেলে। শুনানি শেষে বাড়ি ফিরে বাবার মরদেহ কাঁধে নিয়ে পৌঁছলেন কবরস্থানে। এসআইআর আবহের মধ্যে এবার এমনই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটল মালদহের মানিকচকে। মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহে।

মৃত প্রৌঢ়ের নাম শেখ সরিফুল। বয়স ৫৫। তিনি মানিকচক ব্লকের নূরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নিচু তিওরপাড়ার বাসিন্দা। দিন পাঁচেক আগে সরিফুলের দুই ছেলের নামে হিয়ারিং নোটিস আসে। তারপর থেকেই প্রৌঢ় আতঙ্কে ছিলেন। ভোটার তালিকায় পরিবারের সদস্যদের নাম থাকবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর জন্য এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা জানান, মঙ্গলবার ভোরের দিকে বাড়িতেই হঠাৎ করে অসুস্থ হন ওই প্রৌঢ়। চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার আগে বাড়িতেই তিনি মারা যান।

Advertisement

মঙ্গলবার তাঁর দুই ছেলের ডাক পড়েছিল এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে। কিন্তু কয়েকঘণ্টা আগেই বাড়িতে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। তবে নোটিস অনুযায়ী, শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন মৃত প্রৌঢ়ের দুই ছেলে। এসআইআরের শুনানি কেন্দ্রে গিয়ে যথারীতি তথ্য দেখিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর সমাহিত করতে বাবার মরদেহ কাঁধে নিয়ে তাঁরা কবরস্থানে যান।

সরিফুলের নাম ২০০২ সালের তালিকায় থাকলেও, কেন ছেলেদের নামে শুনানির নোটিস এল? জানা গিয়েছে, সরিফুলের নামের পদবিতে ‘শেখ’ ছিল না। শুধু সরিফুল ছিল। নতুন তালিকায় ‘সরিফুল শেখ’ রয়েছে। আর এতেই শুনানি নোটিস পেয়েছিলেন দুই ছেলে। এক ছেলে শেখ আরিফুরের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবার নাম ছিল। কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণেই তাঁরা দুই ভাই নোটিস পান। নামের গরমিলের কারণে দুই ছেলে নোটিস পাওয়ার পর থেকেই আতঙ্কে ভুগছিলেন সরিফুল। ছেলেদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা করছিলেন তিনি। মঙ্গলবার দুই ছেলের হিয়ারিংয়ের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু তার আগেই হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.