সরাসরি
এসআইআর মানে সর্বনাশ
জেলায় জেলায় শপিং মল করে দিয়েছি। আজ ২০ লক্ষ মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। তাদের বাড়ি তৈরি হবে। আজ বা কাাল দিল্লি যাব তো বটেই। সবাই নাম তুলবেন। খেলার জন্য তৈরি তো। সবাই মিলে বলুন, বিজেপি হটাও। আমাদের অধিকার বাঁচাতে হবে। নাগরিকদের অধিকার কাড়া চলবে না। এসআইআর মানে সর্বনাশ। জয় হিন্দ, বন্দে মাতরম, জয় বাংলা।
মোদিকে আক্রমণ মমতার
টেলিপ্রম্পটার দেখে বলছ। ওনারা কী করে আমি দেখেছি। আমি না দেখেই বলি। টাকা দেয় না। আমি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করি, আপনার স্ত্রীর টাইটেল কী? বাংলার মেয়েরা বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি যায়। পদবি পালটে যায়। তাই বলে এসআইআরে ডাকবে। আমাকে জেলে ভর, গুলি কর, আই ডোন্ট কেয়ার। আমাকে জেলে দিলে মা-বোনেরা জবাব দেবে। কৃষকরা জবাব দেবে।
উন্নয়নের খতিয়ান মুখ্যমন্ত্রীর
আশা-আইসিডিএস কর্মীদের জন্য ১০ হাজার করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল ফোন কেনার জন্য। কৃষকদের ১০ হাজার করে দিচ্ছি। শস্যবিমায় কৃষকদের ৪০০০ কোটির বেশি দেওয়া হয়েছে। ২৯০ উদ্বাস্তু কলোনিকে স্বীকৃতি।খাদ্যসাথী পায়, স্বাস্থ্যসাথী পায়। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৮ একর জমির উপর সিঙ্গুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হয়েছে। শিল্প হবে, তবে কৃষি জমিতে নয়। ভিক্ষা করব না। রাজ্যের টাকায় সব হবে। তারা নাকি ধ্রুপদী মর্যাদা দিয়েছে। সব ঝুট। আমরা বাধ্য করেছি, তাই করেছে। বাংলায় কথা বললে, রাজস্থানে, বিহারে, ওড়িশায় মারে। আমরা তো তা করি না। আমাকে আঘাত করলে প্রত্যাঘাত হবে। আমি কালবৈশাখী হয়ে যাই। টর্নেডো হয়ে যাই। কে ভোটার কে ভোটার নয়, মানুষ ঠিক করবে।
কবিতা পাঠ মমতার
এসআইআরের নামে এনআরসি করার চক্রান্ত। প্রতিবাদে কবিতা পাঠ মমতার। নাম 'স্যার'। পাপ বাপকেও ছাড়ে না, মনে রাখবেন। 'আতঙ্ক' নামের আরও একটি কবিতা পাঠ মমতার। বাঁকুড়া বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর-দক্ষিণ দিনাজপুর, হাওড়া, হুগলি, মালদা সব নিয়ে আজ ১ হাজারটির উপর পরিষেবা উদ্বোধন, ৩৩ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ। দিল্লি এক পয়সাও দেয় না। আজ ২০ লক্ষ মানুষের ব্যাঙ্কে বাড়ির টাকা চলে যাবে। সবমিলিয়ে ৩২ লক্ষ মানুষের বাড়ি তৈরির টাকা পৌঁছে যাচ্ছে। দেব বারবার বলত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কথা। কেন্দ্র টাকা দেবে না। তাই ওদের বানিয়ে বোকা, আমরা দিলাম টাকা। ১০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। "
বক্তব্য রাখছেন মমতা
সিঙ্গুরে বক্তব্য রাখছেম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। "আমি প্রশাসনকে ধনব্যবাদ জানাই। চাপের মুখে তারা গোটাটা অর্গানাইজ করেছেন। মা-বেনেদের সমস্ত মানুষকে ধন্যবাদ। আমি প্রথমেই আমার সমবেদনা জানাচ্ছি এসআইআৎ চক্রান্তে যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবার বর্গকে। আজ সকালে প্লেন দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন অজিত পাওয়ার। সিঙ্গুরের মানুষরা কেউ চিঁড়ে, নাড়ু নিয়ে এসেছেন। যাঁরা ধরনা দিত আমি ২৬ দিন সেখানে ছিলাম। তাপসী মালিক খেকে সকল আন্দোলনকারীদের ধন্যবাদ। আপমারা প্রেরণা। পাশেই ফুরফুরা শরিফ। সেখানে উন্নয়ন করেছি। জয়রামবাটী উন্নয়ন করেছি। ওরা শুধু ফিতে কেটেছে, আমি করে দিয়েছিলাম। এসআইআরের নামে এনআরসি করার চক্রান্ত। "
মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেবের
দেব বলেন, "আমি ভাবলাম দু'লাইন বলে চলে যাব। কিন্তু রচনাদি এত ভালো বলল। আমি ১২ বছরের সাংসদ হয়ে এত ভালো বলতে পারিনি। আজকে দিদি যে কাজটা করলেন এটা কোনও সোজা ব্যাপার নয়। ঘাটালের বাসিন্দারা ভেবেছিলেন এমন কেউ আসবেন যে আমাদের দুঃখ বুঝবেন। আমি প্রথমবার সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়ার সময় বাংলায় বলেছিলাম। ঘাটাল নিয়ে বলেছিলাম। আমি দিল্লিতে গিয়েছি। বৈঠক করেছি। কিন্তু আমাদের কথা রাখেনি কেউ। দিদি কথা দিয়েছিলেন ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান করবেন। বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন। করলেন আজ। কেউ কথা রাখেনি। যিনি কথা রেখেছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রী। এখন সোশাল মিডিয়ার যুগ। একটা কথা বললেই ট্রোল হবেন। যে সরকার কথা দিয়েছে, ভোটের পর কথা রাখছে সেই তো ভোট পাবে। আমি ঘাটালের ছেলে। এই ফাইলটা প্রতিটি সরকার, প্রতিটা দপ্তরের টেবিলে ছিল। কিন্তু কেউ কাজ করেনি। ভোট নিয়ে চলে যায়নি। যে দলটা গত ১৫ বছর ধরে মানুষকে আগলে রেখেছে তার তো জেতা উচিত। যে মানুষটা শুধু উন্নয়নের কাজ করে গিয়েছে। তিনি দেখেননি কে সিপিএম, কংগ্রেস করে। শুধু সকলের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। আমি জোর করব না ভোট দেওয়ার জন্য। একজন মহিলা গত ১৫ বছর ধরে সকলের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। আজ আমার বলার দিন নয়। আমার গর্বের দিন। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের শুভ উদ্বোধন হল আজ। দিদি এবং অভিষেককে হাতজোড় করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"
এবারও জয়জয়কার হবে তৃণমূলের, আত্মবিশ্বাসী রচনা
সাংসদ রচনা বলেন, "এখন থেকে লড়াই শুরু। এভাবে সমর্থন পেলে বাংলায় তৃণমূলের জয়জয়কার হবে। যারা বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই। আমরা দুর্গাপুজো, ইদ, ছট, ক্রিসমাস পালন করি। এইটুকু জায়গাও ছাড়ব না। সকলে মিলে লড়াই করব। আগামী ৩ মাস আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন না ভোট শেষ হচ্ছে ততদিন আপনাদের পাশে আছি। সাথে আছি।"
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন
সিঙ্গুরের সভা থেকে ভারচুয়ালি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন। বাংলার বাড়ির টাকাও উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টাটা ফেরত যাওয়ার পর শিল্পায়নের আশায় সিঙ্গুরবাসী।
সিঙ্গুরের পথে মমতা
আজ বুধবার বামেদের 'বধ্যভূমি' সিঙ্গুরে মেগা সভা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস, সরকারি পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সভাও করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বহু প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানেরও উদ্বোধন তিনি করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ঘাটালের তিনবারের সাংসদ দীপক আধিকারী, রাজ্যের জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ।