গোবিন্দ রায়: জয়নগরের নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে ফাঁসির রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আসামি মুস্তাকিন সর্দার। ওই মামলা গ্রহণ করলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই বারুইপুর জেলা এবং দায়রা আদালতের রায় আপাতত কার্যকর হবে না। হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের পরই পরবর্তী পদক্ষেপ করা যাবে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে জয়নগরের মহিষমারি এলাকায় নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। এই ঘটনায় মুস্তাকিন সর্দারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার দ্রুত তদন্ত হবে, সে আশ্বাস দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার ৬২ দিনের মাথায় গত ৬ ডিসেম্বর বারুইপুর আদালত দোষীর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে। বারুইপুর আদালত সাজা ঘোষণার পর রাজ্য পুলিশের প্রশংসা করে। তাদের সক্রিয়তার কারণেই নজিরবিহীনভাবে কম সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করা সম্ভব বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।
ফাঁসির সাজা ঘোষণার প্রায় দেড়মাস পর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ আসামি মুস্তাকিন সর্দারের। তার আইনজীবীর দাবি, বক্তব্য না শুনে তড়িঘড়ি মামলার রায় দেন বিচারক। উল্লেখ্য, এর আগে সাজা ঘোষণার দিনেও মুস্তাকিন দাবি করে, সে কিছুই করেনি। একেবারে নির্দোষ। বিনা কারণে ফাঁসানো হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের বেঞ্চ এই মামলা গ্রহণ করে।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!