প্রয়াত কলকাতা হাই কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি (Phiroze Edulji)। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। জানা গিয়েছে, লিভারের সংক্রমণ নিয়ে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সোমবার দুপুর ১২ টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কয়েক মাস আগেও ওই একই সমস্যায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ফেরেন তিনি। কিন্তু এবার আর ফেরা হলো না। ক্রিমিনালে এই রকম একজন দুঁদে আইনজীবীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আইনজীবী মহলে। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে হাই কোর্টের বার এসোসিয়েশন থেকে প্রত্যেকটি আইনজীবী সংগঠন।
আরও পড়ুন:
পৈতৃক বাড়ি মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে। তবে এডুলজির জন্ম কলকাতায়। ১৯৭৩ সালের ১০ জুন শিয়ালদহের কাছে ওল্ড পার্সি কলোনিতে তাঁর জন্ম। তিনি বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল আইন কলেজ থেকে আইনি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৯২ সালে তাঁর বাবা নাভাল এদুলজিকে হারান, যিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন কর্মচারী ছিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। আর তাঁর মা পারভেজ ২০১২ সালে মারা যান। মা দ্য ব্রিটিশ অক্সিজেন কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
পৈতৃক বাড়ি মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে। তবে এডুলজির জন্ম কলকাতায়। ১৯৭৩ সালের ১০ জুন শিয়ালদহের কাছে ওল্ড পার্সি কলোনিতে তাঁর জন্ম। তিনি বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল আইন কলেজ থেকে আইনি বিষয়ে পড়াশোনা করেন।
বাবার কথাতেই হিন্দু ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এডুলজি। তাঁর নিজে পার্সি সম্প্রদায়ের হলেও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের হয়ে দীর্ঘ দিন দক্ষিণবঙ্গে কাজও করেছেন তিনি। ১৯৯৭ সাল থেকে কলকাতা হাই কোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন। কামদুনি, বকটুই, আরজি করের মতো একাধিক বড় মামলায় সওয়াল করেছেন। এমনকী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হয়েও নিয়োগ-দুর্নীতি মামলা-সহ বেশ কয়েকটি মামলায় ছিলেন এই আইনজীবী। জীবিতকালে তিনি বলতেন, “আমার মনে হয়, জরথুস্ত্রবাদ ও হিন্দুধর্ম আমার বাবার কাছ থেকে আমার ডিএনএ-তে এসেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’