Calcutta High Court

‘ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না’, বেআইনি নির্মাণ মামলায় উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ ও জবরদখল নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল হাই কোর্টে। শুক্রবার সেই মামলাতেই ডিএমকে ভর্ৎসনা করে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৯:৩৯

options
link
‘ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না’, বেআইনি নির্মাণ মামলায় উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের
উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের। ফাইল ছবি

দায়সারা রিপোর্ট দেওয়ায় এবার উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। একইসঙ্গে, আগামী ২৩ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে রিপোর্ট দাখিল করে এই কারণ দর্শানোর নির্দেশও দিয়েছে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ ও জবরদখল নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল হাই কোর্টে। শুক্রবার সেই মামলাতেই ডিএমকে ভর্ৎসনা করে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর মন্তব্য, “জেলাশাসককে আসতে বলুন, উনি কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও নিজেকে বড় মনে করেন।” একজন গ্রুপ-ডি স্টাফ কে দিয়ে রিপোর্ট ফাইল করছেন কেন, এদিন সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। মামলাকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে, কী পদক্ষেপ করা হয়েছে তা নিয়ে তিনবার রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। জেলাশাসক তাও রিপোর্ট স্পষ্ট আকারে দেননি বলে অভিযোগ। আদালত শেষ নির্দেশে সতর্ক করে জানায় এবার রিপোর্ট ঠিক ভাবে না দিলে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হবে। তারপরেও মানছেন না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের মনে হচ্ছে ইচ্ছে করেই জেলাশাসক নির্দেশ অমান্য করছেন। তাই সশরীরে আসতে হবে হলফনামা ও রিপোর্ট নিয়ে।”

Advertisement

জেলাশাসকের উদ্দেশে বিচারপতি চক্রবর্তীর আরও মন্তব্য, “আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। বিচারপতি পার্থসারথি চ্যাটার্জী বলেন, “তিনি কি এতই ব্যস্ত।” জনস্বার্থ মামলাকারী অর্ধেন্দু নাগের অভিযোগ, রাস্তার ধারে বেআইনি জবরদখল করে পার্কিং প্লেস ও বিয়েবাড়ি নির্মান হয়েছে। মামলা হয় ২০২২ সালে। আরও অভিযোগ, নয়নজুলি বুজিয়ে বেয়াইনি নির্মান হয়েছে। সেই সময়ে জেলাশাসক স্বীকার করে নেন যে জবরদখল হয়েছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ সে সময় নির্দেশ দেয়, এর পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার রিপোর্ট দিতে হবে। এরপর জেলা শাসক বদলেছে বহুবার, কিন্তু রিপোর্ট জমা হয়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.