স্টাফ রিপোর্টার: সিসিটিভিতে ধরা পড়ল দমদম মেট্রোর যুগলের ছবি। সেই ছবির ভিত্তিতেই মেট্রোরেলের ভিতর আলিঙ্গনরত যুগলকে দমদম স্টেশনে নামিয়ে মারধরের অভিযোগের তদন্ত শুরু করলেন উত্তর কলকাতার সিঁথি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁদের সাহায্য করছে মেট্রো রেল পুলিশও।
যতীন দাস পার্ক ও দমদম মেট্রো স্টেশন থেকে মিলেছে যুগলের ছবি। যদিও এক পুলিশকর্তা জানান, যুগলের ছবি হাতে পাওয়া গেলেও তাঁরা সামনে না এলে তাঁদের সন্ধান পাওয়া খুব সহজ না-ও হতে পারে। যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ওই যুগল সম্ভবত দমদম, সিঁথি বা উত্তর কলকাতার কোনও এলাকার বাসিন্দা। দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট বা ভবানীপুর অঞ্চলে কোনও কাজ সেরে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন, এমন হওয়া সম্ভব। সেই সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই পুলিশ খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে। এলাকার কোনও বাসিন্দা ওই তরুণ-তরুণীর সন্ধান দিতে পারলে থানায় ডেকে নিয়ে এসে তাঁদের বক্তব্যও জানার চেষ্টা করা হবে। তাঁরা পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করলে তার ভিত্তিতে শুরু হবে মামলা। যে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধদের নাম ও ছবি ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে, তাঁদের শনাক্তকরণের জন্যও ওই যুগলকে প্রয়োজন।
[কলকাতার রাস্তায় উদ্ধার কিশোরীর রক্তাক্ত-অচৈতন্য দেহ, ধর্ষণের অভিযোগ পরিবারের]
মেট্রোরেলের কাছ থেকে সিসিটিভির ফুটেজ পেয়েছেন সিঁথি থানার আধিকারিকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি দেখে দমদম মেট্রো স্টেশনের সম্ভাব্য জায়গাটি পুলিশ শনাক্ত করেছে। কিন্তু জায়গাটি এমন যে, তার আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আরও কিছুটা দূরে রয়েছে ক্যামেরা। তাই মারধরের কোনও ছবিই ধরা পড়েনি। তার ফলে আসলে কী ঘটনা ঘটেছিল, তা নিয়ে পুলিশ এখনও বিভ্রান্তিতে। দমদম স্টেশনের একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক তরুণ ও তরুণী পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা ছবির ভিত্তিতে পুলিশের ধারণা, ওই যুগলকেই আক্রান্ত হতে হয়েছে। ফুটেজটি থেকে তরুণ ও তরুণীর ছবি পুলিশ পেয়েছে। যতীন দাস পার্ক স্টেশনের সিসিটিভির ফুটেজেও দেখা গিয়েছে যুগলের ছবি। তারই ভিত্তিতে এবার শুরু হয়েছে তদন্ত।
এক পুলিশকর্তার মতে, প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী মেট্রোরেলে যাতায়াত করেন। তাঁদের মধ্যে থেকে আক্রান্তদের শনাক্ত করা খুব সহজ নয়। এই ঘটনার পর তাঁরা মেট্রো রেলে যাতায়াত না-ও করতে পারেন। তাই স্থানীয় সূত্রে তাঁদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদেরও সন্ধান চলছে। মারধরের ঘটনাটি কেউ দেখেছিলেন কি না, তা-ও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। কারণ, পুলিশের ধারণা, কোনও গোলমাল বা মহিলাকে মারধরের মতো ঘটনা ঘটলে অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে কেউ নিত্যযাত্রী হতে পারে, এমন হওয়া সম্ভব। তাই ঘটনাস্থলের কাছে কামরাগুলি দিয়ে যে নিত্যযাত্রীরা যাতায়াত করেন, তাঁদের সঙ্গেও পুলিশ কথা বলবে।
[দেদার খেয়ে দমের ঘাটতি! ফাস্ট ফুডে বাড়ছে হাঁপানি]
সর্বশেষ খবর
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা! দ্রুত সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ শেষের আর্জি সাংসদের
-
‘বাবা ভুল করেছে, প্রায়শ্চিত্তও…’, বিগ বস বাংলার গ্রান্ড ওপেনিংয়ে চোখে জল তাপসকন্যা সোহিনীর
-
চিপস-ঠান্ডা পানীয়ে ‘বিষ’, তবু লোভ সামলাতে পারছেন না? এবার প্রতি প্যাকেটে থাকবে বিপদবার্তা!
-
মেঘালয়ে নাকা তল্লাশিতে পুলিশের উপর হামলা! পালটা গুলিতে নিহত ৪ সশস্ত্র দুষ্কৃতী
-
অভিষেক, ডেরেকের পর সুমিত! ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে সাংসদের পিএ-কে নোটিস পুলিশের