Kunal ghosh

ফের উত্তপ্ত বিধানসভা, স্পিকার বললেন, ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’, তীব্র বাদানুবাদ কুণালের

'আমাকে বলতে না দিলে আমিও বলতে দেব না', সাফ কথা কুণালের।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১৫:৪৭

options
link
ফের উত্তপ্ত বিধানসভা, স্পিকার বললেন, ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’, তীব্র বাদানুবাদ কুণালের
কুণাল ঘোষকে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস শংকর ঘোষের। ফাইল ছবি

ফের স্পিকার রথীন্দ্র বোসের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ালেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বাদল অধিবেশনের দ্বিতীয়দিনেও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। এদিন স্পিকারকে উদ্দেশ করে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।” তাতে স্পিকার বলেন, “কী বলবেন আবার? যা ঘটেছে তা কলঙ্কজনক। আজ তা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না।” এরপরই সটান স্পিকারের কাছে উঠে যান কুণাল। বলেন, “কলঙ্কের কথাটা ঠিক বললেন না, কেন বললেন?।” এ নিয়েই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। 

Advertisement

বুধবার নাম থাকা সত্ত্বেও কুণাল ঘোষকে বলতে না দেওয়ার অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিধানসভা। রীতিমতো ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে গতকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয় কুণালকে। তাঁকে মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার রেশ ধরেই আজ, বৃহস্পতিবার ফের উত্তাল হয়ে উঠল বিধানসভা। এদিন অধিবেশন শুরুর পরই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্পিকারকে বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।” পালটা স্পিকার বলেন, “কী আবার বলবেন? গতকালের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক।” এতেই ক্ষুব্ধ হয় কালীঘাট তৃণমূল। ‘কলঙ্কজনক’ শব্দটির তীব্র প্রতিবাদ করে তাঁরা।

Advertisement

এরপরই উঠে স্পিকারের কাছে চলে যান কুণাল। বলেন, “বিধানসভা ওয়াকআউট, বাদানুবাদ, মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। তাহলে গতকালের ঘটনাকে কলঙ্কজনক কেন বললেন?” পালটা স্পিকারকে নিজের জায়গায় গিয়ে বসার নির্দেশ দেন। কিন্তু কুণাল নিজের বক্তব্য পেশে অনড়। এদিন ফের তাঁর পাশে দেখা যায় মার্শালদের। তবে বের করে দেওয়ার ঘটেনি। এরপরই নিজের জায়গায় গিয়ে বসেন কুণাল। যদিও তারপরও একাধিকবার উঠে আসতে দেখা যায় তাঁকে। অধিবেশন কক্ষে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গেও কথাকাটাকাটিতে জড়ান তৃণমূল বিধায়করা। রিতেশ তিওয়ারির সঙ্গ তুমুল বচসা হয় কুণালের। সূত্রের খবর, এদিন ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামানকে নাকি কুণাল ঘোষ সাফ জানিয়েছেন, তাঁকে বলতে না দিলে তিনিও কাউকে বলতে দেবেন না।

Advertisement

অধিবেশনের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন কুণাল। সেখানে তিনি বলেন, “বকলেস পরা বিরোধীরা কোনও কিছুর প্রতিবাদ করছেন না। ওরা বিজেপির দালালি করছে নিজের স্বার্থে। আমরা কথা বলছি মানুষেক স্বার্থে। বিজেপি চায় না আমি বলি, শক্তিশালী কণ্ঠ বলুক। আমি একজন বিধায়ক, আমার দল যখন নাম দিচ্ছে তখন বলতে দিতে হবে। আখরুজ্জামান বলছেন, আমাদের এত লোক…। আরে ওই তো তোদের লোক! নোট ছাড়া এক লাইন কেউ বলতে পারে না।” এরপর স্পিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রথীনবাবু ভদ্রলোক, কিন্তু যা হচ্ছে তাতে এটা তো ওনার জন্য কলঙ্ক হয়ে থাকবে। উনি ২ মাসও চালাতে পারছেন না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.