সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন চলাকালীন রেশন বিলি নিয়ে বারবার বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এবার সরেজমিনে সেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার ভবানীপুরের রেশন দোকানে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে রেশন ডিলারের সঙ্গে কথা বলে পরস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে রেশনকর্মীদের হাতে মাস্কও তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই ভূমিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যবাসী।
রাজ্যে করোনার সংক্রমণ রুখতে কার্যত অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কখনও প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। আবার কখনও কেন্দ্র সরকার ও অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা সারছেন। আবার কখনও সরেজমিনে হাসপাতাল, বাজার এমনকী রেশন দোকানের পরিস্থিতি ঘুরে দেখছেন তিনি। প্রয়োজনে নিজে রাস্তায় গন্ডি কেটে সামাজিক দূরত্বের পাঠ পড়াচ্ছেন। তাঁর এহেন নেতৃ্ত্বে আশঙ্কার মেঘ উড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে রাজ্যবাসী। শুক্রবার তিনি নবান্ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একাধিক জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সারেন। সেখান থেকে একগুচ্ছ নির্দেশও দেন। লকডাউন মানতে কড়া হওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মাস্ক পরা নিয়েও পরামর্শ দেন। এমনকী, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণাও করেন তিনি। সেই বৈঠক সেরে আচমকাই ভবানীপুরে হাজির হন তিনি।
[আরও পড়ুন : সোমবার থেকে কাজে ফিরবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা]
ভবানীপুরের রেশন দোকানের কর্মীদের মধ্যে মাস্ক বিলি করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে তাঁদের খোঁজ খবরও নেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েও দেন, যারা ১০০ দিনের কাজ করছেন তাঁদের জন্য এই মাস্ক বাধ্যতামূলক। নিয়ম মেনে লকডাউন পালন করতে পরামর্শ দেন তিনি। এলাকার বাসিন্দারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভাব অভিযোগও তুলে ধরেন। স্বাভাবিকভাবে, মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আপ্লুত এলাকাবাসী।
দেখুন ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
হেরেও শিক্ষা নেই! আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেকই হচ্ছে না বৈভবের, শ্রেয়স-গম্ভীরের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
-
করাচিতে জঙ্গি হামলার দায় ভারতের ঘাড়ে! ‘নিজের ঘরে তাকান’, পাকিস্তানকে তোপ নয়াদিল্লির
-
‘বন্ধুর ঘর ভেঙেছি, আমার নাকি ছেঁড়া’, গোমাংস কাণ্ডের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সায়ক!
-
বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নেই! জুলাই মাসে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন দেশের এই ৬ অপরূপ স্থানে
-
গ্রিন সিটি হবে বর্ধমান, বিগত সরকারের আবর্জনা সাফ করতে কোদাল-ঝাঁটা হাতে পথে মন্ত্রী