শুক্র দুপুরে দক্ষিণবঙ্গজুড়ে যে দুর্যোগ নেমেছিল, তার বলি হয়েছেন সাতজন। কোথাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, কোথাও বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। আর সন্ধ্যাবেলায় এমন পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য সরকার দ্রুতগতিতে কাজ করছে বলে জানিয়ে নিহতদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন, নিহতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। আর্থিক সাহায্য পাবেন আহতরাও। তবে তাঁদের চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাজ্য সরকার এই মুহূর্তে চিকিৎসার সমস্ত ভার গ্রহণ করছে। এমনই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি মেরামত এবং অন্যান্য সহায়তাও করবে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘জানি, কোনও মৃত্যুতে টাকা দিয়ে ক্ষতি পূরণ করা যায় না। কিন্তু এই সময়ে স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের সরকার নিহতদের প্রত্যেকের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করছি। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়কদের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব এই সাহায্য তাঁদের কাছে পৌঁছে যাবে। এছাড়া যাঁরা আহত, তাঁদেরও আমরা আর্থিক সাহায্য করব। তবে এই মুহূর্তে তাঁদের চিকিৎসা দ্রুত হওয়াটা বেশি দরকার। তাঁদের চিকিৎসার ভার নিচ্ছে রাজ্য সরকার।”
এদিন ঝড়বৃষ্টির মাঝে বাবুঘাটে আম কুড়োতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান এক ব্যক্তি। এছাড়া উত্তর দিনাজপুরে বজ্রপাতে আরও ২ কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর খবর এসেছে পুরুলিয়া থেকেও। ঘণ্টাখানেকের প্রবল দুর্যোগে তিনটি পৃথক জায়গায় বাজ পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,
ওই তিনজন বছর পঁচিশের শেখ রহমতউল্লা, ছাপ্পান্নর চৈতন ধীবর ও ৪৬ বছরের নিমাই গড়াই। এছাড়া দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও পুরুলিয়াতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে বলে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোটা নজরদারি করছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। এছাড়া বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব ও আধিকারিকরাও পর্যালোচনা করছেন।শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, আসন্ন দুর্যোগের মরশুমে যেসব জায়গায় বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে, সেসব খতিয়ে দেখে আগাম সুরক্ষা ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার।
সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতির যাবতীয় তথ্য জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘‘জানি, কোনও মৃত্যুতে টাকা দিয়ে ক্ষতি পূরণ করা যায় না। কিন্তু এই সময়ে স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের সরকার নিহতদের প্রত্যেকের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করছি। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়কদের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব এই সাহায্য তাঁদের কাছে পৌঁছে যাবে। এছাড়া যাঁরা আহত, তাঁদেরও আমরা আর্থিক সাহায্য করব। তবে এই মুহূর্তে তাঁদের চিকিৎসা দ্রুত হওয়াটা বেশি দরকার। তাঁদের চিকিৎসার ভার নিচ্ছে রাজ্য সরকার।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দালালের রেট ২৫০! গুদাম তৈরির অনুমোদনে দেদার ‘দুর্নীতি’, তারাতলা-তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
-
ইটস টাইম ফর আফ্রিকা… হাড্ডাহাড্ডি পেনাল্টিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মরক্কো
-
হাসপাতালে হিয়া, মঙ্গলেই হচ্ছে অস্ত্রোপচার, কী হল ‘পটলকুমার গানওয়ালা’র?
-
অরুণাচলের জমি গিলছে ড্রাগন! চিনা আগ্রাসনের অভিযোগে তদন্তে সরকার, কী বলছে সেনা?
-
বাজ পড়ে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পাইপলাইনে আগুন লেগে ঝলসে গেলেন ৩৫জন