রাখিবন্ধনে দেশভাগের মতপোষণকারী, স্বাধীনতার পরও ‘আজাদি’ চাওয়া দেশ বিরোধীদের একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। যাদবপুরের মতো বাংলা তথা দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘রেড স্যালুট কিষানজি’ লেখাকে নিয়ে বিঁধলেন ‘কাশ্মীরের আজাদি’ চাওয়া একদল ‘উচ্ছৃঙ্খলকারী’দের। বললেন, “কষ্ট হয় যখন, কলকাতার রাস্তায় আজাদি স্লোগান ওঠে। কীসের আজাদি? দেশ তো কবেই স্বাধীন। যাদবপুরের দেওয়ালে লেখা থাকে রেড স্যালুট কিষানজি’। কী শেখাচ্ছেন নতুন প্রজন্ম কে? কে এই কিষানজি। যিনি দেশভাগ দাবি করে। সংবিধান না মানা কিষানজি। পূূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরমে কেন আপত্তি? ভিতরে থেকে যারা আক্রমণ করে, দেশপ্রেমের রাখিবন্ধনে তাদেরকে বাড়ির আবর্জনার মতো পরিষ্কার করার শপথ নিতে হবে।”
আরও পড়ুন:
শুক্রবার ভবানীপুর বিধানসভায় রাখিবন্ধন উৎসবে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদান, বাংলার সংগ্রামীদের লড়াই তুলে ধরেন। বাইরের শত্রুদের পাশপাশি দেশের অভ্যন্তরে ভারতে দুর্বল করার চেষ্টার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। বলেন, “বাইরের শত্রুদের জন্য তো আমাদের সেনাবাহিনী আছেই। ওদের ঘরে ঢুকে নাম-নিশান মিটিয়েছে বায়ুসেনা। তবে দেশের ভিতরেই অনেকে আছে।” আরও বলেন, “কষ্ট হয় কলকাতার রাস্তায় ওঠে আজাদি সোগ্লান। রাস্তায় লেখা হয় কাশ্মীর মাগে আজাদি। কীসের আজাদি। ১৯৪৫ সালেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল।”

এরপরই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন মাওবাদী নেতা কিষানজিকে স্যালুট জানিয়ে দেওয়ালে লেখা থাকবে সেই প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কলা বিভাগের দেওয়ালে লেখা রেড স্যালুট কিষানজি। কে এই কিষানজি। যে ভোট বয়কটের কথা বলেছিল। যে সংবিধান মানেনি। কী শেখাচ্ছেন আগামী প্রজন্মকে?” তাঁর সংযোজন, “যাঁরা জনগণমন অধিনায়ক, বন্দে মাতরমকে অপমান করে, এই দেশপ্রেমের রাখিবন্ধনে তাঁদের বাড়ির আবর্জনার মতো পরিষ্কার করা শপথ নিতে হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জীবন বিমার গুরুত্ব বুঝতে হবে পড়ুয়াদের, স্কুলে স্কুলে ‘হর ঘর বিমা’ শিবির সরকারের
-
‘লাল গড়’ যাদবপুরে অতি বামদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর, বললেন ‘প্যালেস্টাইন নয়, লিখুন পিওকে চাই’
-
‘প্রকৃতির এমন রুদ্ররূপ আগে দেখিনি’, বানভাসি নেপালের জন্য চোখে জল ভূমিকন্যা মনীষা কৈরালার!
-
অশোকনগরে শুরু বাণিজ্যিক তেল উৎপাদন, শিল্প মানচিত্রে বড় বদলের সম্ভাবনা
-
দু’মাসের ইন্টার্নশিপে ৬০ লাখ, বছরে ৪ কোটি! এমন চাকরি মিলছে এদেশে, সিভি দেবেন নাকি?