West Bengal Rail Project

‘রেলবন্দি’র জমানা অতীত, বাংলায় ঝুলে থাকা প্রকল্পের কাজে গতি আনতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স রাজ্যের

নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারের ২০ জনের এই কমিটি প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৩:৩৩

options
link
‘রেলবন্দি’র জমানা অতীত, বাংলায় ঝুলে থাকা প্রকল্পের কাজে গতি আনতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স রাজ্যের
ফাইল ছবি।

রাজ্যে রেল পরিকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন রেল প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করল রাজ্য সরকার। যার চেয়ারম্যান করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারের ২০ জনের এই কমিটি প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। সদস্য হিসাবে থাকছেন স্বরাষ্ট্র, পরিবহণ, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, পূর্ত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ আধিকারিকরা। পূর্ব রেল, দক্ষিণ-পূর্ব রেল, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল, মেট্রো রেল, রেল বোর্ড ও আরভিএনএল-এর প্রতিনিধিরাও এই কমিটিতে থাকবেন।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারের ২০ জনের এই কমিটি প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। সদস্য হিসাবে থাকছেন স্বরাষ্ট্র, পরিবহণ, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, পূর্ত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ আধিকারিকরা।

গত শনিবার রাজ্যে এসেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। যৌথ সাংবাদিক সম্মলনে জানান, আগামী দিনে এক লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বঙ্গে। পাশাপাশি এ রাজ্যে চলা রেলপ্রকল্পগুলোতে গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক সমন্বয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে যে জটিলতা রয়েছে, তা দ্রুত মেটানোই এই টাস্ক ফোর্সের প্রধান লক্ষ্য। প্রতি সপ্তাহে প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা হবে এবং প্রয়োজনীয় সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। মুখ্যসচিব নিজে প্রতি মাসে বৈঠক করে প্রকল্পগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, গত শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বৈঠক শেষে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল জানান, আটকে থাকা চিংড়িহাটা মেট্রোর কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায়। ৭০ টি প্রকল্প পড়েছিল শুধুমাত্র অনুমোদন না দেওয়ার জন্য। এজন্য যদিও পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আগের সরকারের সঙ্গে রেলের যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব ছিল। কেন্দ্র এবং রাজ্যের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছে গিয়েছিল, এর ফলে সাধারণ বঞ্চিত হয়েছে।” তবে এবার দ্রুত গতিতে কাজ এগোবে বলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.