সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার টিকা পেতে আর স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা সরকারি হাসপাতালে লম্বা লাইন দিতে হবে না। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের আওতায় চোখ পরীক্ষা, ডায়বেটিস-সহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা। এক্স রে বা ইসিজি প্রয়োজন হলে রোগীর নাম নিয়ে যাওয়া হবে। নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারবেন রোগীরা। এই মর্মে জেলাশাসক ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিকদের শুক্রবার এমন নির্দেশ পাঠিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।
এদিনের বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা অজয় চক্রবর্তী জানান, “দুয়ারে সরকার প্রকল্পে স্বাস্থ্যদপ্তরকে যুক্ত করা হয়েছে। এলাকার কোনও একটি ক্লাব বা সংগঠন বা পঞ্চায়েত অফিসে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে যাওয়া হবে। যাঁরা এখনও করোনার প্রথম, দ্বিতীয় ডোজ পাননি। তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে টিকা নিতে পারবেন। এছাড়াও যাঁদের চোখের সমস্যা বা ছানি রয়েছে বা এক্সরে বা ইসিজি করতে হবে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হবে। এই কাজ করবেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। নির্দিষ্ট দিনে কাছের স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা হাসপাতালে গিয়ে এক্সরে বা ইসিজি করে চিকিৎসকের থেকে পরামর্শ নিতে পারবেন। অথবা হাসপাতাল থেকে ওষুধ নিতে পারবেন।”অজয়বাবুর কথায়, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে নাগরিকদের চৌকাঠে পৌঁছে দিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এই পদক্ষেপ।
[আরও পড়ুন: গত ২৪ ঘণ্টায় ফের সামান্য ঊর্ধ্বমুখী কোভিড গ্রাফ, সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা]
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, জাতিগত শংসাপত্র দান, শিক্ষাশ্রী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, ঐক্যশ্রী, জয় জহর, ১০০ দিনের কাজ-সহ মোট ১০টি প্রকল্পকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই সব প্রকল্পগুলি সম্পর্কে অভাব-অভিযোগ শুনতে গ্রামীণ ও পুরসভা এলাকায় শিবির করার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির।
চলতি বছর করোনার কোপে পিছিয়ে যায় ‘দুয়ারে সরকার’। আপাতত রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। কড়া বিধিনিষেধের সুফলে ছন্দে ফিরেছে বাংলা। এরপরই ‘দুয়ারে সরকার’ এবং ‘পাড়ায় সমাধান’ প্রকল্প শুরুর সময়সূচি জানায় নবান্ন। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে রাজ্য সরকারের ‘পাড়ায় সমাধান’ কর্মসূচি। চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। যেখানে স্থানীয় সমস্যার সমাধান করা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাসিন্দাদের আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে। ১৬ তারিখ থেকে সেই সমস্যার সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ করা হবে। ১ মার্চ থেকে সেই সমাধান পৌঁছে যাবে বাসিন্দাদের কাছে।
[আরও পড়ুন: রাজ্যের ৪ পুরনিগমের ভোটের ফলপ্রকাশ কবে? বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিনক্ষণ ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের]
সর্বশেষ খবর
-
দুই ‘সেরা’ গোলের ম্যাচে বাজিমাত ‘গোলদস্যু’ হালান্ডের, প্রি কোয়ার্টারে ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে
-
বাড়িতে পাথর ছুড়ছে দুষ্কৃতী! সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তোপ অভিষেকের
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কথা হল, চাপ বাড়বে ট্রাম্পের?
-
নীচু জাত! কলেজের অশিক্ষক কর্মীকে নির্যাতন, ঘরে ঢুকতে বাধা অধ্যক্ষার! বিতর্ক পুরুলিয়ায়
-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষের সাক্ষাৎ, উপহার আম ও সন্দেশ! কী কথা হল?