সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের কোভিড গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বাড়ল সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে কলকাতা। তবে কমল মৃতের সংখ্যা।
রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৩ হাজার ৮০৫ জন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় কিছুটা বেশি। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে কলকাতা। তিলোত্তমায় ৪৮১ জনের শরীরে হানা দিয়েছে ভাইরাস। উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক সংক্রমিত ৪৩৮ জন। তার ফলে আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাটি। বাংলায় মোট কোভিড আক্রান্ত ১৯ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৬৭ জন।
[আরও পড়ুন: ‘তালিবান মনে করে আমার শরীরটাও ওদের’, বিস্ফোরক দাবি একমাত্র আফগান পর্ন তারকার]
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা সামান্য কমেছে। শুক্রবার মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে এগিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। ভাইরাসের ছোবলে এখনও পর্যন্ত করোনা মোট ২০ হাজার ৫১৫ জনের প্রাণ কেড়েছে।
এদিন নমুনা পরীক্ষা কিছুটা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ হাজার ৮৮৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। পজিটিভিটি রেট ৬.১৫ শতাংশ। কোভিড রুখতে টিকাকরণের উপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন ৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯৬৯ জন টিকা নিয়েছেন। প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৯ হাজার ৬৩২ জন। বাকি ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬০১ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন।
করোনার চোখরাঙানি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে সামান্য উদাসীনতাও বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই যথাযথ কোভিডবিধি মেনে চলার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহারের উপরেই জোর দিচ্ছেন তাঁরা। তবে তা সত্ত্বেও নিয়ম ভঙ্গকারীও রয়েছেন অনেকেই।যারা মাস্ক পরছেন না, তাদের ধরপাকড়ও জারি রেখেছে প্রশাসন।
[আরও পড়ুন: ইউহানে ফের আতঙ্ক! খোঁজ মিলল করোনার সবচেয়ে ভয়ংকর ‘নিওকভ’ স্ট্রেনের]
সর্বশেষ খবর
-
হাতে স্বামীজির ছবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ কাফুর, ব্রাজিল ম্যাচের আগে শহরে বিশ্বজয়ী তারকা
-
প্রথমবার দিল্লি থেকে সরতে চলেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চ! দায়িত্বে কোন রাজ্য?
-
স্বস্তি! রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের সময় কমাল মোদি সরকার, মিলবে কতদিনে?
-
হবু ডাক্তারদের অন্তর্বাসে হাত দিয়ে তল্লাশি! ন্যাশনাল মেডিক্যালের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি
-
ছন্দ-অন্ত্যমিল অক্ষুণ্ন রেখে ৫০টি রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুবাদ, প্রকাশিত সৌম্য ভট্টাচার্যের ‘ইটারনাল সংস’