Congress

সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতা বোকামি, বাংলায় ‘একলা চলা’র পথে কংগ্রেস

প্রথম দিন দলের নির্বাচনী কমিটির বৈঠকের পর দ্বিতীয় দিন দলের সাধারণ সম্পাদক-সহ সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে মূল এই নির্যাস উঠে এসেছে সোমবার।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৩:১৭

options
link
সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতা বোকামি, বাংলায় ‘একলা চলা’র পথে কংগ্রেস
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। ফাইল ছবি।

বামেদের সঙ্গে বোঝাপড়ার রাস্তায় ফাটল আরও চওড়া করল এআইসিসি। একদিন আগেই তিরুবনন্তপুরমে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে কংগ্রেসের জন্য ইঙ্গিত রেখে প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে অবিজেপি যে কোনও দলের সঙ্গে তারা সমঝোতা করতে প্রস্তুত। কিন্তু এআইসিসির পাঠানো প্রদেশ কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষকরা সোমবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতা করা বোকামি হবে’। যার পিছনে পুরনো দৃষ্টান্তকে যুক্তি হিসাবে রেখে এআইসিসি জানিয়েছে, বামেদের ভোট কংগ্রেসের ঘরে আসে না। তাতে আখেরে ক্ষতি দলেরই।

Advertisement

প্রথম দিন দলের নির্বাচনী কমিটির বৈঠকের পর দ্বিতীয় দিন দলের সাধারণ সম্পাদক-সহ সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে মূল এই নির্যাস উঠে এসেছে সোমবার। যেখানে আবারও বিজেপিকে রাজ্যে কংগ্রেসের মূল শত্রু চিহ্নিত করে এআইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, ১) মনে রাখতে হবে বিজেপি আমাদের প্রধান শত্রু। তৃণমূলকে হঠানোর ভাবনা নিয়ে নামলেন, আর দেখা গেল তাতে বিজেপি ঢুকে পড়েছে। এ জিনিস যেন না হয়। ২) এবার একলাই লড়াই হবে। সেটা ধরেই মাঠে নামতে হবে। জোট নিয়ে ভাবার দরকার নেই। তবে তৃণমূলকে বিজেপির পরে এআইসিসি নিশানায় রাখলেও দুই প্রধান শক্তির মাঝেই যতটা সম্ভব রাজ্যে নিজেদের সাংগঠনিক গুরুত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন এআইসিসির প্রতিনিধিরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিনের বৈঠকে রাজ্যের পর্যবেক্ষক গোলাম মীর, প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য-সহ হাজির ছিলেন দলের তিন সিনিয়র পর্যবেক্ষক কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ত্রিপুরার নেতা সুদীপ রায় বর্মণ, শাকিল আহমেদ খান প্রমুখ। প্রথমে দু’দফায় বৈঠক ডাকা হলেও, সকলকে একসঙ্গে নিয়ে এক দফাতেই বৈঠক হয়।

Advertisement

প্রদেশ কংগ্রেসের(Congress) একটা অংশ ছাব্বিশের নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোটে আগ্রহী। আরেকটা অংশ তৃণমূলপন্থী। তবে বেশিরভাগই একলা চলার পন্থী। সূত্রের দাবি, দলের পদাধিকারী প্রায় সকলকে একজোট করে এদিন শুরুতেই সুদীপ রায় বর্মণ সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতাকে
‘বোকামি’ বলে মন্তব্য করেছেন। যার পিছনে তিনি বামেদের ভোট শেয়ারের প্রসঙ্গ তুললেও প্রদেশ নেতৃত্বের কারও কারও দাবি, সুদীপবাবুরা ত্রিপুরায় দীর্ঘদিন বাম শাসনে বিরোধী ভূমিকায় ছিলেন। সেই সূত্রে বামেদের হাত তাঁরা কখনওই ধরতে চাইবেন না। ফলে তাঁর সিপিএম-বিরোধিতা স্বাভাবিক। কিন্তু এই দাবিকে মান্যতা দিয়ে যখন হাইকমান্ড তাঁদের কলকাতায় পাঠিয়েছে, তাহলে একপ্রকার ধরেই নেওয়া যায় দিল্লি কী চাইছে।

এই পরিস্থিতিতে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের পর্যবেক্ষকদের দ্রুত জেলা সফরে বেরিয়ে পড়ার পরামর্শ দিয়েছে নেতৃত্ব। দরকারমতো কর্মসূচি সাজিয়ে সিনিয়র পর্যবেক্ষকরাও প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে জেলা সফরে যাবেন। মীর এদিনও বলেছেন একা লড়াই করার কথা। তাতে নিজেদের শক্তি পরখ করা সহজ হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন