Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Elephant

সোশাল মিডিয়ায় লোকালয়ে হাতির হানার ভুয়ো ভিডিও পোস্ট! থানার দ্বারস্থ বনদপ্তর

দু'দিনের ব্যবধানে দুটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও পোস্ট করা হয়। অনেকেই শেয়ার করেন, কমেন্ট করেন। ভিডিও দুটিতে ওই এলাকার মানুষজনকে সাবধান করা হয়েছে। তবে বনদপ্তরের দাবি ভাইরাল হওয়ায় দুটি ভিডিও ভুয়ো।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৩:১০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৩:১০

options
link
সোশাল মিডিয়ায় লোকালয়ে হাতির হানার ভুয়ো ভিডিও পোস্ট! থানার দ্বারস্থ বনদপ্তর zoom

দু’দিনের ব্যবধানে দুটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও পোস্ট। দুটোই হাতির ভিডিও। একটিতে দেখা যাচ্ছে রাতের অন্ধকারে নদী পেরিয়ে যাচ্ছে দাঁতাল। অন্যটিতে পাকা সড়ক। ওই দুটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, একটি জয়পুর-চাষ মোড়ের। অন্যটি রঘুনাথপুরের ঝাড়ুখামারে। মেটা অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা ওই দুটি ভিডিও নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিডিও দুটি দেখেন। অনেকেই শেয়ার করেন, কমেন্ট করেন। ভিডিও দুটিতে ওই এলাকার মানুষজনকে সাবধান করা হয়েছে। তবে বনদপ্তরের দাবি ভাইরাল হওয়ায় দুটি ভিডিও ভুয়ো। তাই ভুয়ো ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য আইনি পদক্ষেপ নিল বন দপ্তর। এই মর্মে ওই মেটা ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে রবিবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কংসাবতী উত্তর বনবিভাগের রঘুনাথপুর থানার রেঞ্জার নীলাদ্রি সখা। কংসাবতী উত্তর বনবিভাগের ডিএফও মুদিত কুমার বলেন, “ভুয়ো ভিডিও ভাইরাল করার বিষয়টি জানার পর পুলিশকে জানানো হয়েছে।”

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে ‘রাহুল রাহুল’ নামক একটি মেটা অ্যাকাউন্ট থেকে শুক্রবার ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিও উপর লেখা থাকে ‘৯:৩২ মিনিট রাত্রি’ ভিডিওর নিচে লেখা রয়েছে ‘পুরুলিয়া জয়পুর চাষমোড় ছাত্রী নিবাসের দু’তলা থেকে ভিডিও করা হয়েছে। পুরুলিয়াবাসী সাবধান। রাঁচি থেকে হাতি পুরুলিয়াতে প্রবেশ করেছে। গাছ কাটো বনবিভাগ কাটো।’ ওই ভিডিওটি আপলোডের নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ভিডিও দেখেন।অনেকে ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই না করেই শেয়ার করেন। তবে কমেন্টে বহু মানুষ ওই ভিডিওটি ভুয়ো এবং জয়পুর বা চাষ মোড় এলাকার নয় সেটিও লিখেছেন। পরেও ওই অ্যাকাউন্ট থেকে রবিবার ফের একটি হাতির দলের ২০ সেকেন্ডের ভিডিও পোস্ট করা হয়। কুয়াশা মাখা রাতের অন্ধকারে কালো পিচ রাস্তা পারাপারের ওই ভিডিওর মধ্যে লেখা ‘পুরুলিয়া রঘুনাথপুর ঝাড়ুখামার রাস্তা দিয়ে শনিবার ৯:৩০ রাত্রি সময় দেখে গিয়েছে হাতি।’ ভিডিওতে লেখা, ‘এলাকায় থাকা লোককে সাবধান করা হল।’ আর সেটিও সমানভাবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ভিডিওটি প্রায় দেড় লাখ মেটা ব্যবহারকারী দেখেছেন। প্রায় আড়াইশো জন শেয়ার করেছেন। তবে দ্বিতীয় ওই ভিডিওতেও মানুষজন প্রতিক্রিয়ায় ভুয়ো ভিডিও বলে জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার বন দপ্তরের নজরে আসার পরই পদক্ষেপ গ্রহন করে। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুর এলাকাটি পুরুলিয়া বন বিভাগের মধ্যে পড়ে। অন্যদিকে কংসাবতী দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন চাষ মোড় এলাকাটি পুরুলিয়া-পাড়া রেঞ্জ এবং ঝাড়ুখামার এলাকাটি রঘুনাথপুর রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তিনটি রেঞ্জ হাতি উপদ্রুত এলাকায় নয়। কয়েক বছর আগে জয়পুর ও পুরুলিয়া-পাড়া রেঞ্জ এবং রঘুনাথপুর এলাকায় পথভুলে দলছুট হাতি এসেছিল। প্রায় এক দশক আগে একটি হস্তিযুথ রঘুনাথপুর রেঞ্জের সাঁতুড়ি এলাকায় এসেছিল। তবে যে দুটি ভিডিও পোস্ট করে পুরুলিয়ায় দাবি করা হয়েছে সেগুলি আদৌ পুরুলিয়া জেলার নয়। তবে কি উদ্দেশ্যে ওই ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.