CPIM

নিষ্ক্রিয়তার রোগ সারাতে সিপিএমে কড়া দাওয়াই, গাফিলতিতে ব্যবস্থা

বাংলা বাঁচাও যাত্রায় নিচুতলার জমায়েত নিয়েও সংশয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৮:৫৬

options
link
নিষ্ক্রিয়তার রোগ সারাতে সিপিএমে কড়া দাওয়াই, গাফিলতিতে ব্যবস্থা
প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: চব্বিশের লোকসভা ভোটের পুনরাবৃত্তি চাইছে না আলিমুদ্দিন। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে হতাশাজনক ফলাফলের পর সিপিএমের রিপোর্ট ছিল, একাংশের পার্টি সদস্য তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করেনি। ভোটের কাজে তাদের নিষ্ক্রিয়তা ছিল। তাই এবার ছাব্বিশের ভোটে পার্টি সদস্যদের সেই নিষ্ক্রিয়তার রোগ সারাতে কড়া দাওয়াই দিতে চায় আলিমুদ্দিন।

Advertisement

ইতিমধ্যেই দলের অভ্যন্তরে সেই মর্মে বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে কোনও পার্টি সদস্য যদি সঠিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার পথেই হাঁটবে বঙ্গ সিপিএম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, আগাম বার্তা দেওয়ার পরও অবশ্য পার্টি সদস্যদের বড় অংশের নিষ্ক্রিয়তা বিধানসভা নির্বাচনের আগে চিন্তায় রাখছে আলিমুদ্দিনকে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এবার নির্বাচনী সংগ্রামে যে স্তরের পার্টি সদস্যই হোক না কেন তাদের যথোপযুক্ত ভূমিকা পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে গাফিলতি থাকলে দলীয়স্তরে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ যত বড়ই নেতা হোক, ভোটের কাজে সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে। চব্বিশের নির্বাচনের কাজে পার্টি সদস্য ও এজি সদস্যদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা ছিল। একাংশ যান্ত্রিকভাবে কাজ করেছিল। শুধু তাই নয়, চব্বিশের ভোটের লড়াইয়ে পার্টি দপ্তরের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছিল একাংশের সদস্যরা। এবার পার্টি দপ্তরে না থেকে এলাকায় জনগণের মধ্যে সময় ব্যয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এদিকে, জনসংযোগে বাংলা বাঁচাও যাত্রা ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু করছে বঙ্গ সিপিএম। বুথস্তরে সংগঠনে জোয়ার নেই, নেই আন্দোলনে ধারাবাহিকতা। তাই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে শাসকদলের বিরুদ্ধে বাংলা বাঁচাও যাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করে নিচুতলায় সংগঠনে ঝাঁকুনি দিতে চাইছে সিপিএম।

আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’। আর এই কর্মসূচিতে নিচুতলায় পার্টি সদস্য ও কর্মীরা কতটা সক্রিয় থাকবেন তা নিয়েও সংশয় রয়েছে সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে। বাংলা বাঁচাও যাত্রায় কর্মী-সমর্থক জড়ো করার জন্য পার্টি সদস্যদের কোটাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

অন্যদিকে, পার্টির সদস্যরা ন্যূনতম পাঁচটি কাজ পালন করছেন কি না তা নিয়েই জোর প্রশ্ন উঠেছে সিপিএমের অন্দরে। এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন আলিমুদ্দিনও। পার্টি দলিলেও সেই আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সামনেই ছাব্বিশের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। তখন সিপিএমের মতো দলে পার্টি সদস্যদের ন্যূনতম বিপ্লবী গুণাবলি অর্জন করার ক্ষেত্রে খামতি রয়ে গিয়েছে। পার্টির অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে বলা হয়েছে, পার্টি সদস্যদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি ন্যূনতম কাজ না করলে পার্টিতে সদস্যপদে থাকা যায় না। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্য বলছে, এক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পার্টি সদস্যরা পাঁচটি ন্যূনতম কাজ এখনও পালন করেন না। এই ন্যূনতম কাজগুলির মধ্যে রয়েছে, দলীয় বৈঠকে নিয়মিত উপস্থিত থাকা, মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত অংশ নেওয়া, গণসংগঠনের কাজে যুক্ত থাকা, নিয়মিত লেভি দেওয়া, পার্টির পত্র-পত্রিকা পড়া। এসব ক্ষেত্রেই বড় অংশের পার্টি সদস্যদের খামতি রয়েছে বলে মনে করছে সিপিএম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন