TMC mouthpiece Jago Bangla

‘ইতিহাসের সেরা বাঙালি মহিলা রাজনীতিবিদ মমতা’, TMC’র মুখপত্রে লিখলেন অনিলকন্যা অজন্তা

উঠে এসেছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের কথাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২১, ১৬:১৩

options
link
‘ইতিহাসের সেরা বাঙালি মহিলা রাজনীতিবিদ মমতা’, TMC’র মুখপত্রে লিখলেন অনিলকন্যা অজন্তা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) মুখপত্রের জন্য কলম ধরেছেন একসময়ের দাপুটে বাম নেতা অনিল বিশ্বাসের (Anil Biswa’s Daughter) কন্যা অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাস। লেখার প্রথম কিস্তি প্রকাশের দিন থেকেই চর্চায় রয়েছেন তিনি। তবে সকলের নজর ছিল ‘বঙ্গরাজনীতিতে নারীশক্তি’ শীর্ষক উত্তর সম্পাদকীয়তে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কী লেখেন অনিলকন্যা? অবশেষে শনিবার শেষ কিস্তি লিখলেন তিনি। আর সেখানে তৃণমূলনেত্রীর লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অজন্তা। তাঁর কলমে উঠে এসেছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের কথাও। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

অজন্তা বিশ্বাসের (Ajanta Biswas) এদিনের  লেখায় উঠে এসেছে চিত্তরঞ্জন দাসের স্ত্রী বাসন্তী দেবী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। প্রাক স্বাধীনতার সময় থেকে অধুনা রাজনীতিতে মহিলাদের সংগ্রামের কাহিনী উঠে এসেছে তাঁর উত্তর সম্পাদকীয়তে। তবে তাঁদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেরা বলে উল্লেখ করেছেন অনিলকন্যা। ঠিক কী লিখেছেন তিনি? অজন্তার কথায়, “একজন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে শ্বের সম্মুখে নজির গড়েছেন একক যোগ্যতায়। রাজনৈতিক ইতিহাসে বাঙালি নারী হিসেবে নিজেকে অন্যতম সেরা প্রমাণিত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশস্ত করেছেন নারীদের জয়যাত্রা।” নিজের প্রবন্ধের মাধ্যমে তাঁকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অজন্তাদেবী। উত্তর সম্পাদকীয়তে উঠে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের কথা। কীভাবে কংগ্রেস নেত্রী থেকে বাংলার ‘অগ্নিকন্যা’ হয়ে উঠেছে তৃণমূল নেত্রী, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে এই লেখায়। এমনকী, মহিলা হিসেবে রাজনৈতিক দল গঠনেরও প্রশংসা জানিয়েছেন লেখিকা। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজনীতিতে নারীশক্তি নিয়ে ‘জাগো বাংলা’য় Post Edit অনিল বিশ্বাসের কন্যার! শুরু চর্চা]

বঙ্গ সিপিএমের (CPM) জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে একই আসনে থাকেন অনিল বিশ্বাস। দলের রাজ্য কমিটির সম্পাদক, পলিটব্যুরো সদস্য ছাড়া কোনও সংসদীয় পদে কোনওদিন ছিলেন না। তবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণ কমিটিতে তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। স্রেফ সংগঠনকে শক্ত মাটির উপর দাঁড় করিয়ে দিতে তাঁর যে অবদান, তার জোরেই বঙ্গে সিপিএমের চিরকালীন মুখ অনিল বিশ্বাস (Anil Biswas)। বামপন্থী সমর্থকরাই শুধু নন, রাজনীতি নিয়ে বিন্দুমাত্র সচেতন নাগরিকই জানেন সিপিএম আর অনিল বিশ্বাসের সম্পর্কের কথা। তবে রাজনীতি তো সম্ভাবনার শিল্প। সেই স্রোতে আজ ডান-বাম রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের হাওয়া প্রবল এই মুহূর্তে। অনিল বিশ্বাসের মেয়ে, অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাসের লেখায় সিপিএমের একসময়ের প্রধান ও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীর তৃণমূল নেত্রীর প্রশংসা যেভাবে উঠে এল, তা নিসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কবে মুক্তি মিলবে করোনা অতিমারীর হাত থেকে, জানালেন WHO প্রধান‌]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.