Dilip Ghosh

‘অপরাধ বেড়েছে কমিউনিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য, ওদের মাথায় ডিম ছুড়ুন’, ফের চাঁচাছোলা দিলীপ

আর কী বললেন দিলীপ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৪:১০

options
link
‘অপরাধ বেড়েছে কমিউনিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য, ওদের মাথায় ডিম ছুড়ুন’, ফের চাঁচাছোলা দিলীপ
রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি।

বারুইপুর এনকাউন্টারে (Baruipur Encounter) খুশি রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করছেন অধিকাংশই। তবে কেউ কেউ গোটা বিষয়টা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়েও আলোচনা করেছেন। সত্য গোপন করতেই প্রভাস মণ্ডলকে বলি দেওয়া হল না তো? এই প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ। সেই তালিকায় রয়েছেন বর্ষীয়ান বাম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী। এদিন তাঁদেরই চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ। বললেন, “মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। অপরাধ বেড়েছে কমিউনিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য।”

Advertisement

দিলীপ বলেন, “এরা আসলে বুদ্ধিজীবী নামে সমাজবিরোধী। অপরাধী সাজা পেলেও এরা আন্দোলন শুরু করে। আসলে মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। অপরাধ বেড়েছে কমিউনিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য। এদের মাথায় ডিম ছুড়ুন।”

কলকাতায় থাকলে প্রতিদিনই ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবারও তার অন্যথা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এদিন এনকাউন্টারে বিরোধীদের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সেখানেই দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “এরা আসলে বুদ্ধিজীবী নামে সমাজবিরোধী। অপরাধী সাজা পেলেও এরা আন্দোলন শুরু করে। আসলে মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি।” এরপরই এক ধাপ এগিয়ে দিলীপ বলেন, “অপরাধ বেড়েছে কমিউনিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য। এদের মাথায় ডিম ছুড়ুন।” দাবাং দিলীপ ডিন ছোড়ার নিদান দিলেও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কিন্তু বারবার এর বিরোধিতা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়।’

Advertisement

উল্লেখ্য, বারুইপুর কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ করেছিল সরকার। তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠন করা হয় ৬ সদস্যের সিট। গ্রেপ্তার করা হয় চার অভিযুক্তকেই। মঙ্গলবার রাতে এনকাউন্টার খতম হয়েছে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। এই ঘটনায় প্রভাসের মা-স্ত্রী বলেছেন, “অপরাধ করেছে, শাস্তি পেয়েছে।” কামদুনি, হাঁসখালির নির্যাতিতার পরিবার-পরিজনরাও এনকাউন্টারে খুশি। তবে সমাজের একাংশ কিন্তু এই এনকাউন্টার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছে। কাউকে আড়াল করার চেষ্টার করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। যদিও বাকিদের কথায়, “যা হয়েছে, ঠিক হয়েছে। এরকম শাস্তি পেলেই অপরাধ করার সাহস পাবে না কেউ।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.