Mani Chetri

১০৫ বছরে চিরবিদায়, প্রয়াত পদ্মশ্রী চিকিৎসক মণি ছেত্রী

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার রাতে বালিগঞ্জ প্লেসের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন খ্যাতনামা চিকিৎসক।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০০:০১

options
link
১০৫ বছরে চিরবিদায়, প্রয়াত পদ্মশ্রী চিকিৎসক মণি ছেত্রী
১৯২০ সালে দার্জিলিঙে জন্ম মণি কুমার ছেত্রীর।

প্রয়াত কিংবদন্তি চিকিৎসক মণি ছেত্রী। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার রাত ১০টা বেজে ১৫ মিনিটে বালিগঞ্জ প্লেসের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পদ্মশ্রী চিকিৎসক। বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন পনেরো আগে মাথায় আঘাত পান তিনি। এর পরেই বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। 

Advertisement

এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা ছিলেন মণি ছেত্রী। তাঁর চেষ্টায় এই হাসপাতালে তৈরি হয়েছিল ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট তথা আইটিইউ সেটআপ। এছাড়াও এনডোক্রিনোলজি, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ডায়াবিটিস, রিউম্যাটোলজির মতো আলাদা আলাদা বিভাগ চালু হয় তাঁর উদ্যোগে। যা রাজ্যের যে কোনও হাসপাতালে প্রথম। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবাদপ্রতিম চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসকরা কর্মস্থলে কালো ব্যাজ পরে আসবেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১৯২০ সালের ২৩ মে দার্জিলিঙে জন্মগ্রহণ করেন মণি কুমার ছেত্রী। প্রাথমিক শিক্ষা দার্জিলিং মিউনিসিপ্যালিটি প্রাইমারি স্কুলে। ১৯৩৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ১৯৪৪ সালে চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক। ১৯৪৯-এ চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতকোত্তর করেন তিনি। এরপর চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে আরও পড়াশোনার জন্য যান বিদেশে। ১৯৫৫ সালে লন্ডনের রয়্যাল কলেজ ফিজিসিয়ানস থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৯-এ আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজির ফেলোশিপ অর্জন। ১৯৭২ সালে ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস থেকে ফেলোশিপ। ১৯৭৩ সালে রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিসিয়ানসের ফেলোশিপ।

Advertisement

লন্ডন থেকে ফিরে কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে শুরু মণি ছেত্রীর কর্মজীবন। যোগ দেন রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান হিসেবে। পরবর্তীকালে বিধানচন্দ্র রায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান হিসেবে তাঁকে নিয়ে আসা হয় প্রেসিডেন্সি জেনারেল হাসপাতালে। বর্তমানে যাকে সবাই এসএসকেএম বলে চেনে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালে ডা. মণি কুমার ছেত্রীকে পদ্মশ্রীতে সম্মানিত করে ভারত সরকার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন