Kolkata Police

ফের কলকাতায় বিদেশি মাদক, কড়েয়া থেকে উদ্ধার ১০ লাখ টাকার কোকেন! গ্রেপ্তার ৩

এমডিএমএ, হেরোইনের পর এবার কলকাতা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক কোকেন! কড়েয়ায় হানা দিয়ে পুলিশ উদ্ধার করল এই বিদেশি মাদক। তিন মাদক পাচারকারী গ্রেপ্তার হল পুলিশের হাতে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
ফের কলকাতায় বিদেশি মাদক, কড়েয়া থেকে উদ্ধার ১০ লাখ টাকার কোকেন! গ্রেপ্তার ৩
প্রতীকী ছবি।

এমডিএমএ, হেরোইনের পর এবার কলকাতা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক কোকেন! কড়েয়ায় হানা দিয়ে পুলিশ (Kolkata Police) উদ্ধার করল এই বিদেশি মাদক। তিন মাদক পাচারকারী গ্রেপ্তার হল পুলিশের হাতে। পুলিশের মতে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় রেভপার্টির জন‌্য প্রচুর বিদেশি মাদক পাচার হচ্ছে। এর মধ্যে বড় চাহিদা রয়েছে কোকেনের।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, সূত্রের মারফত খবর আসে যে, কড়েয়ার আহিরিপুকুর রোডে তৈরি হয়েছে বিদেশি মাদক পাচারকারীদের ডেরা। সেই ডেরায় কড়েয়া থানার পুলিশ আধিকারিকরা হানা দিয়ে ১০৪ গ্রাম কোকেন উদ্ধার করেন। দাম ১০ লাখ টাকারও বেশি। হাতেনাতে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আজাহারউদ্দিন খান, মহম্মদ আসফাক ও লতাফত খান নামে তিন মাদক পাচারকারী। পুলিশ জেনেছে, এই মাদক পাচারের পিছনেও রয়েছে চক্রের এজেন্টরা। তারাই ডার্ক ওয়েবে যোগাযোগ করে বিদেশি মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে। ক্যুরিয়র অন‌্যান‌্য জিনিসের মধ্যে অথবা কখনও বা বহনকারীর হাত ধরেই কলকাতায় এসে পৌঁছেছে এই মাদক।

Advertisement

ধৃতদের উপর ভার পড়েছিল, মূলত এই বিদেশি মাদক ছোট ছোট প‌্যাকেটে রেভ পার্টিতে পাচার করার। তাদের কাছ থেকে সরাসরি মাদকাসক্ত অথবা এজেন্টদের মারফতও কিনে নেয় পাচারকারীরা। মাত্র কয়েক গ্রাম সাদা পাউডার কোকেনের জন‌্য মোটা টাকা খরচও করা হয়। ধৃতদের জেরা করে সেই এজেন্ট বা মাদকাসক্তদের সন্ধান চলছে। একই সঙ্গে কীভাবে এই মাদক কলকাতায় এসে পৌঁছেছিল? কেনই বা তা বিমানবন্দরের স্ক‌্যানারে ধরা পড়ল না? সেই সব বিষয়েও পুলিশ তদন্ত করছে।

Advertisement

এদিকে, সোমবার কলকাতা পুলিশ-সহ ২০টি তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে মাদক পাচার দমন সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক হয়। এদিন কলকাতা পুলিশের পক্ষে লালবাজারে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কমিশনার ও অন‌্য পুলিশকর্তা এবং আধিকারিকরা। প্রত্যেক মাসেই এই মাদক দমন সংক্রান্ত বৈঠক হচ্ছে। নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো, শুল্ক দপ্তর, আবগারি দপ্তর, ডিআরআই ছাড়াও স্বাস্থ‌্য দপ্তর, অন‌্যান‌্য বেশ কয়েকটি তদন্তকারী সংস্থার কর্তারাও ছিলেন। গত একমাসে কোন তদন্তকারী সংস্থা কত মাদক উদ্ধার করেছে, কতজন গ্রেপ্তার, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। মাদক পাচার ও পাচারকারীদের ব‌্যাপারে তথ্যের আদানপ্রদানও করা হয়েছে। লালবাজারের পক্ষ থেকে এই ব‌্যাপারে বেশ কয়েকটি স্লাইড শো দেখানো হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.