এনআরএস

অস্ত্রোপচারের পর নিম্নমানের সুতো দিয়ে ৩ বার সেলাই, এনআরএসে মৃত্যু দশদিনের খুদের

সুতো ছিঁড়ে যাওয়ার পর বারবার সেলাই করা হয় দুধের শিশুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১১:২০

options
link
অস্ত্রোপচারের পর নিম্নমানের সুতো দিয়ে ৩ বার সেলাই, এনআরএসে মৃত্যু দশদিনের খুদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিশুমৃত্যুতে ফের কাঠগড়ায় সরকারি হাসপাতাল। আবারও শিরোনামে এনআরএস হাসপাতাল। অভিযোগ, নিম্নমানের সুতো দিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয় শিশুর। তার ফলে কমপক্ষে তিনবার সুতো ছিঁড়ে যায়। পরিজনদের অস্ত্রোপচারের জন্য সুতোও কিনে দিতে বলা হয় বলেও অভিযোগ। ধকল সহ্য করতে না পেরে বৃহস্পতিবার সন্ধেয় মৃত্যু হয় মাত্র দশ দিন বয়সের ওই শিশুর।

Advertisement

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এনআরএস হাসপাতালে প্রথমবার খুদের অস্ত্রোপচার হয়। তারপর ২২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৬ ফেব্রুয়ারিও অস্ত্রোপচার করা হয় একরত্তির। কিন্তু কেন তিনবার একই ক্ষতস্থানে অস্ত্রোপচার করা হল ওই সদ্যোজাতের? শিশুর পরিবারের দাবি, এনআরএসের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁদের পরিবারের ছোট্ট সদস্যের অস্ত্রোপচার করেছেন। বারবারই সুতো ছিঁড়ে গিয়েছে। তাই তৃতীয়বার অস্ত্রোপচারের সময় বাইরে থেকে সুতোও কিনে আনতে বলেন চিকিৎসকরা। সেই অনুযায়ী সুতো কিনেও এনে দেওয়া হয়। তবে তৃতীয়বার অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তার ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল। ক্রমশই নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিল খুদে। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় ধকল সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় একরত্তির। তাঁদের অভিযোগ, সম্ভবত নিম্নমানের সুতো ব্যবহারের ফলে সেপটিক হয়ে গিয়েছিল। তাই মৃত্যু হয়েছে দশদিনের ওই শিশুর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ই-মেল হ্যাক করে কোটি টাকার উপর জালিয়াতি, একাধিক অভিযোগ দায়ের লালবাজারে]

শিশুমৃত্যুর পর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছেন তার পরিজনেরা। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা। কেন একই ক্ষতস্থানে পরপর তিনবার সেলাই করলেন চিকিৎসকরা, উঠছে সেই প্রশ্ন। এছাড়াও কেন অস্ত্রোপচারের পর সেলাই করার সময় নিম্নমানের সুতো ব্যবহার করা হল, ইতিমধ্যে সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। সাধারণত, অস্ত্রোপচারের পর সেলাই করার জন্য প্রয়োজনীয় সুতো হাসপাতালেই মজুত থাকে। তা সত্ত্বেও কেন শিশুর পরিজনদের সুতো কিনে আনার কথা বলা হল, সেই প্রশ্নও উঠছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাংশের দাবি, বেআইনি হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র শিশুর প্রাণরক্ষার তাগিদেই সেলাইয়ের সুতো কিনে দিতে বলা হয়েছিল পরিজনদের। যে সংস্থা সুতো সরবরাহ করে, এই ঘটনার পর তাদের খোঁজ চালাচ্ছে এনআরএস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.