Sujit Bose

লকডাউনে ধাবা বন্ধেও কোটি কোটি টাকা আয়! প্রভাবশালী তত্ত্বে সুজিত বসুকে হেফাজতে চাইল ইডি

ইডির দাবি, এই বিপুল অর্থ আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি মন্ত্রী।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৪:৪৭

options
link
লকডাউনে ধাবা বন্ধেও কোটি কোটি টাকা আয়! প্রভাবশালী তত্ত্বে সুজিত বসুকে হেফাজতে চাইল ইডি
লকডাউনে ধাবা বন্ধেও কোটি কোটি টাকা আয়! প্রভাবশালী তত্ত্বে সুজিত বসুকে হেফাজতে চাইল ইডি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি শুধু নয়, আদালতে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরল ইডি। লকডাউনে ধাবা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আয় হয়েছে কোটি কোটি টাকা!  নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে রয়েছে প্রচুর টাকার ফিক্সড ডিপোজিট। ইডির দাবি, এই বিপুল অর্থ আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি মন্ত্রী। এবার রহস্যের শিকড়ে পৌঁছতে হেফজতে নিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীকে জেরা করতে চান ইডি আধিকারিকরা। আদালতে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। তাঁদের যুক্তি, সুজিত বসু প্রভাবশালী, তাই জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত করতে পারেন। 

Advertisement

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির স্ক্যানারে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। গতকাল, সোমবার ম্যারাথন জেরার পর রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। এদিন আদালতে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে ইডি। তদন্তে অসহযোগিতার পাশাপাশি তাঁদের তরফে দাবি করা হয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কাছে থেকে যেসব ডিজিটাল তথ‍্য পাওয়া গিয়েছে তা অনুযায়ী সুজিত বোস একাধিক চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছেন। উঠে এসেছে নিতাই দত্তের নামও। সুজিত বোস এবং পরিবারের ব‍্যঙ্ক অ‍্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে কোটি কোটি টাকা ডিপোজিটের হিসাব পেয়েছে ইডি। সুজিত বসুর একটি রেস্তরাঁ রয়েছে। যা করোনাকালে বন্ধ ছিল। তা সত্ত্বেও আয় হয়েছে কোটি কোটি টাকা।

Advertisement

এখানেই শেষ নয়। একাধিক ব‍্যক্তির সঙ্গে টাকা লেনদেনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যার কোনও আইনগত কারণ দেখাতে পারেননি মন্ত্রী। এই সমস্ত তথ্য তুলে ধরে ইডির আইনজীবী বলেন, সুজিত প্রভাবশালী ছিলেন, এখন উনি ছাড়া পেলে তদন্ত প্রভাবিত করতে পারেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করতেও পারেন। তাই তাঁকে হেফাজাতে চায় ইডি। এদিকে প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, যে নথির উপর ভিত্তি করে সুজিতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা ২০২২-২৩-২৪ সালের মধ‍্যে পাওয়া গিয়েছে। তাহলে ২০২৬ সালের মে মাসে এসে কেন গ্রেপ্তারি? তাঁর দাবি, এই গ্রেপ্তারির নেপথ্যে লুকিয়ে অন্য কারণ। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছে তাতে সুজিত বসুর নাম নেই। তদন্তের এই পর্যায়ে, ইডির যে আইনগত ক্ষমতা রয়েছে তাতে শুধু জিজ্ঞাসাবাদের জন‍্য ইডি গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিতে পারে কিনা তা নিয়েও সওয়াল করেন সুজিতের আইনজীবী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.