বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: খুব ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর (Buddhadeb Bhattacharya)। শুক্রবার সকালে উডল্যান্ডস হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে তাঁর পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ (Sedative) আর তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না। রক্তচাপ, অক্সিজেনের মাত্রা আপাতত স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে সাড়া দিচ্ছেন। তবে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থা এখনও কাটেনি তাঁর। ভেন্টিলেশনের মাত্রা কমলেও, তা চলছে। সবমিলিয়ে, এখনও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সংকট কেটেছে বলে জানাতে পারছেন না চিকিৎসকরা।
শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুরে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি হন ৭৬ বছর বয়সি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। প্রথমদিকে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটা কমে যাওয়ায় বেশ উদ্বেগ ছিল। তবে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডিপার্টমেন্টে তাঁকে ভরতি করানোর পর অক্সিজেন দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে। শুক্রবার সকালের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৬, যা স্বাভাবিক। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের চিকিৎসা চলছে দুই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাক্তার কৌশিক বসু ও সৌতিক পাণ্ডার অধীনে। বুধবার তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করানোর পর করোনা (Coronavirus) পরীক্ষাও হয়। রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় অনেকটা স্বস্তিতে চিকিৎসকরা।
[আরও পড়ুন: AIMIM’এর যুব সংগঠনে বড়সড় ধস, ঘাসফুল শিবিরে যোগদান যুব সভাপতি-সহ বহু সদস্যের]
সাম্প্রতিকতম মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রাইস টিউব দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। তিনি ধীরে ধীরে তা গ্রহণ করতে পারছেন। ডাকলে খুব ধীরে চোখ খুলে সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বেশ কয়েকটি স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক এখনও দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। সর্বক্ষণ তাঁকে নজরে রেখেছেন চিকিৎসকরা। পরিবারও রয়েছে হাসপাতালে। এছাড়া পার্টিকর্মী ও নেতারা বিভিন্ন সময় হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
[আরও পড়ুন: সল্টলেকে বাড়ির ছাদে মিলল যুবকের কঙ্কাল! খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার গৃহকর্ত্রী]
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অসুস্থতার দিকে গোড়া থেকেই নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার তিনি বনগাঁ থেকে ফিরেই সোজা চলে গিয়েছিলেন উডল্যান্ডস হাসপাতালে। সবটা নিজে খতিয়ে দেখেন। চিকিৎসায় যাতে বিন্দুমাত্র সমস্যা না হয়, সেদিকে নজর রাখার জন্য পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর স্ত্রী মীরাদেবী এবং মেয়ে সুচেতনার সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে আশ্বাস দিয়েছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
সর্বশেষ খবর
-
একবার ভিজলেই দফারফা! বর্ষায় চামড়ার জুতোর যত্ন নেবেন কীভাবে?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার মুখে টিম ইন্ডিয়া, সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে সুযোগ পাবে বৈভব?
-
এবার কলকাতার রাস্তা হকারমুক্ত হবে? বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের
-
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার
-
জগন্নাথের মতোই স্নানযাত্রা কালীঘাটেও, জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় মিলল শাক্ত-বৈষ্ণব ধারা