Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
KMC notice

এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার

এক সপ্তাহের মধ্যে ফ্লাইওভারের নিচের জায়গাগুলি খালি করার নির্দেশ দিল পুরসভা।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৮:১১

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কোনওরকম বেআইনি নির্মাণ বা জবরদখল বরদাস্ত নয়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই অবৈধ দোকান-বাড়িতে চলছে বুলডোজার অ্যাকশন। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থেই এই পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলার নতুন সরকার। তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাসের মতো জায়গায় আগেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম সহ একাধিক স্টেশনের অবৈধ দোকানগুলিও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার শিয়ালদহ ফ্লাইওভারের নিচের বেআইনি দখল হঠাতে তৎপর কলকাতা পুরসভা। সুকান্ত সেতুর নিচেও বেআইনি নির্মাণ সরাতেও নোটিস দিয়েছে পুরসভা।

শনিবার কলকাতা পুরসভার তরফে শহরের দু’প্রান্তে নোটিস পড়েছে ইতিমধ্যেই। সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৭ দিন। কলকাতা পুরসভার নোটিস অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই দুই সেতুর নিচে যাঁরা বেআইনিভাবে জবর দখল করে দোকান করেছে, তাঁদের উঠে যেতে বলা হয়েছে। তা না হলে কলকাতা পুর কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী ১৯৮০ বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে নোটিসে।

Advertisement
সুকান্ত সেতুতে নোটিস (বাঁ দিকে)। বিদ্যাপতি সেতুতে পুরসভার নোটিস (ডান দিকে)।

নোটিসে এও উল্লেখ করা হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভার হল সুকান্ত সেতু। সুলেখা ক্রসিং থেকে শুরু হয়ে গোপালনগর পর্যন্ত এই সেতুটি। এই সেতুর নিচের সন্ধেয় বাজার বসে। রয়েছে হকার্স মার্কেটও। অন্যদিকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারগুলির মধ্যে একটি হল শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু। শিয়ালদহ স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতুর নিচে ঝাঁকে ঝাঁকে দোকান রয়েছে। এমনকী রয়েছে বিরাট বাজারও। এক সপ্তাহের মধ্যে ফ্লাইওভারের নিচের দোকানগুলি খালি করার নির্দেশ দিল পুরসভা।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন লাগোয়া বস্তি এলাকাও খালি করতে পুরসভার নোটিস পড়েছে। স্টেশনের ধারে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে জায়গা জবরদখল করে বহু মানুষের বসবাস। জানা গিয়েছে, ওই বস্তি এলাকায় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার বাসিন্দা থাকেন। কিন্তু পুরোটাই বেআইনিভাবে দখল করা গজিয়ে ওঠা। শুধু ঝুপড়ি নয়, একাধিক ছোট ছোট দোতলাও নির্মাণ হয়ে গিয়েছে দখলি জমিতে। এবার সেই জায়গা খালি করতেও ডেডলাইন দিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.