ক্ষমতায় আসার আগেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে মৃত বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর নিহতদের পরিবারকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারের সভা থেকে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর। এদিন তিনি বললেন, জুনেই ৩১৫ জন মৃতের পরিবারের একজন সদস্যকে নিয়োগ পত্র দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়া হবে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা।
এই বিষয়ে আরও খবর
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখলের মরিয়া চেষ্টা করেছিল বিজেপি। দফায় দফায় বাংলায় প্রচারে এসেছিলেন মোদি-শাহ। ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হয়নি। ২০০ তো দূর-অস্ত, ৮০-ও পেরতে পারেনি পদ্মশিবির। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। অভিযোগ, তারপর জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল তৃণমূল। কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ৩২১ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তা নিয়ে আইন-আদালত করেও বিশেষ লাভ হয়নি। তারপর পেরিয়েছে ৫ বছর। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ ঢেলে আশীর্বাদ করেছে বিজেপিকে। ফলে এবার সুবিচার মিলবে বলে আশা ছিল আক্রান্ত ও নিহতদের পরিবারের। প্রত্যাশা পূরণও হচ্ছে।
পালাবদল হতেই ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছিলেন ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত কর্মীদের সরকারি চাকরি দেবেন তিনি। আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাসও দিয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই এই প্রতিশ্রুতিতে খানিকটা হলেও আশার আলো দেখেছিলেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। তবে কতদিনে চাকরি মিলবে, তা নিয়ে সংশয় ছিলই। এবার বড় ঘোষণা শুভেন্দুর। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, চলতি মাস অর্থাৎ জুনেই নিহতদের পরিবারের একজন সদস্যের হাতে তুলে দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। সেই সঙ্গে দেওয়া হবে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্বস্তিতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘পাঠানদের বলো চৌহান আসছে’, অজয় দেবগনের গর্জনে খেপে লাল ক্ষত্রিয় পরিষদ! বিতর্ক চরমে
-
সব হারিয়ে ভাঙল ঘুম! অত্যাচারে ঘরছাড়াদের আইনি সহায়তা দিতে শুরু ‘এক ডাকে অভিষেক’
-
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?



