বাইপাসের ধারে জুতোর কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

ঘটনাস্থলে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৮:২৫

options
link
বাইপাসের ধারে জুতোর কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাতসকালে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটল ইএম বাইপাস সংলগ্ন চৌবাগা এলাকায়। শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ আগুন লাগে চৌবাগা এলাকার একটি জুতো তৈরির কারখানায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে নজর রাখা হচ্ছে সেদিকে। ঘটনাস্থলে দমকলের আধিকারিকরা ছাড়াও পৌঁছেছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল।

Advertisement

Advertisement

[অপরাধ জগতের কেউকেটাদের টেক্কা দেবে ‘বহুরূপী’ মনোতোষ]

এদিন সকাল পৌনে দশটা নাগাদ আগুন লাগে চৌবাগায় অবস্থিত ওই জুতো তৈরির কারখানায়। জানা গিয়েছে, কারখানায় প্রচুর পরিমাণে চামড়া, রাসায়নিক, আঠা এবং অন্যান্য দাহ্য বস্তু থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। তাঁরা চেষ্টা করছেন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার। আপাতত জল দিয়ে আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। কারখানার ভিতরে কী কী দাহ্য বস্তু রয়েছে? সেটা জানার চেষ্টা করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। যোগাযোগ করা হচ্ছে কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তবে দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, ভিতরে কেউ আটকে নেই। আগুনের উৎস এখনও খুঁজে পাননি দমকলকর্মীরা। তাই তাঁরা আগুন যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য বিল্ডিংটিকে ঠাণ্ডা করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে ইতিমধ্যে সেটি ভেঙে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। তাই যতটা সম্ভব সাবধানতা অবলম্বন করছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, দমকলের আরও ইঞ্জিন ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এছাড়া পরে জল ছাড়াও ফোম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার কথাও ভাবছেন তাঁরা। আশপাশে বেশ কিছু কারখানা, বিল্ডিং থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কও দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল।

[ভারতে এসে ঘুরতে যাওয়া নয়, পাক আধিকারিকদের ফরমান বিদেশমন্ত্রকের]

একে জুতোর কারখানা, তার মধ্যে আবার মজুত ছিল নানারকম রাসায়নিক থেকে শুরু করে দাহ্য বস্তু। কিন্তু কারখানার অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কেমন ছিল? সেই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এছাড়া এলাকাবাসীদের অভিযোগ, আগুন লাগার বেশ কিছুক্ষণ পড়ে দমকল আসে। তাও প্রথম দিকে তিনটি ইঞ্জিন কাজ করে। আর সেকারণেই আগুনের ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায়। এই নিয়ে দেখা দিয়েছে ক্ষোভও। যদিও দমকলকর্মীরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে, কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা চালাচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

[লালফৌজকে ধরাশায়ী করতে ডোকলামে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ভারতীয় সেনার]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.