SIR

এসআইআরের ট্রাইব্যুনাল থেকে সরলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ, কোন পথে এগোচ্ছে কাজ?

এসআইআরে প্রায় ২৭ লক্ষের নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল। যাঁদের নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল, তাঁরা নথি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৮:১৩

options
link
এসআইআরের ট্রাইব্যুনাল থেকে সরলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ, কোন পথে এগোচ্ছে কাজ?
ফাইল ছবি।

এসআইআরের ট্রাইব্যুনাল থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ। কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এর আগে এই ট্রাইব্যুনাল থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। এবার সরে দাঁড়ালেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগও। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ রয়েছেন তিনি। সেই কারণ দেখিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বিচারপতি বাগের।

Advertisement

ইতিমধ্যে ২৮ থেকে ৩০ হাজার নামের নিষ্পত্তির কাজ হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রত্যেকদিন গড়ে প্রায় ৫০ টিরও বেশি নামের নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলে খবর।

বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআরে বিচারাধীন থাকা নামগুলি নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে ওই ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে বলেও নির্দেশে জানানো হয়। সেই মতো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠন করা হয় ট্রাইব্যুনাল। এই ট্রাইব্যুনালে ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগও। কিন্তু শারীরিক কারণে ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রাক্তন বিচারপতির। 

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআরে কয়েক লাখ নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল। যাঁদের নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল, তাঁরা নথি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান। জোকায় এই ট্রাইব্যুনালের দপ্তর খোলা হয়েছে। সেখানেই বিচারাধীন থাকা নামের নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ২৮ থেকে ৩০ হাজার নামের নিষ্পত্তির কাজ হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রত্যেকদিন গড়ে প্রায় ৫০ টিরও বেশি নামের নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলে খবর। খতিয়ে দেখা হচ্ছে নথি। যদিও এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই বলেই অভিযোগ উঠছে। একাংশের বক্তব্য, প্রক্রিয়াটি অনেকটাই দীর্ঘ। সমস্ত নথি ধরে চলছে যাচাইয়ের কাজ। প্রয়োজনে বিচারাধীন থাকা ব্যক্তিদের সশরীরে ডেকেও পাঠানো হচ্ছে। পুরোটাই আদালতে শুনানির মতোই হচ্ছে। কিন্তু তেমন পরিকাঠামো নেই বলেই দাবি প্রাক্তন বিচারপতিদের। এহেন অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে শুনানির কাজ আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে আশঙ্কা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.