পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির স্ক্যানারে। ভোটের ফল বেরনোর পরই ইডি দপ্তরে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। সঙ্গী ছেলে সমুদ্র বসু। সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ইডি দপ্তরে পৌঁছন তিনি। এর আগেও একাধিকবার ইডি দপ্তরে যান প্রাক্তন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
গত ৬ এপ্রিল, ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন- সহ বিধানসভা ভোট পর্বের মধ্যে ইডি তলবের একাধিকবার নোটিস পান প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। তখন নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে সময় চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল সূত্রের দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচন চলাকালীন ইডির হাজিরা এড়িয়ে ছিলেন বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী। ভোট মিটতেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের সহযোগিতায় গত ১ মে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন সুজিত বসু। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবী। দীর্ঘক্ষণ সময় কাটিয়ে তিনি বেরন। ওইদিন ইডি দপ্তরের ঢোকার মুখে সুজিত জানান, আদালতের অর্ডার কপি নিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে এসেছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগেও এই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসু, তাঁর স্ত্রী, ছেলে, মেয়েকে বেশ কয়েকবার ডেকে পাঠায় ইডি। তদন্তে তাঁরা হাজিরাও দিয়েছিলেন। এমনকী, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রীর শ্রীভূমির বাড়ি, অফিস, ভিআইপি রোড সংলগ্ন ছেলের রেস্তরাঁ সহ একাধিক জায়গায় অভিযানও চালান ইডি আধিকারিকরা। আবার নির্বাচন চলাকালীন ইডির তৎপরতা নিয়ে অতীতে বিষোদ্গারও করেন। তদন্তের নামে ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ তুলে ইডির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন সুজিত। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানিয়েছিলেন, “সুজিত বোসের এত খারাপ অবস্থা নয় যে, চাকরি বিক্রি করে রোজগার করতে হবে। মানুষ তা জানে। এটা নির্বাচন কমিশন ও ইডির ষড়যন্ত্র।” তবে ভোটের ফলপ্রকাশের পর প্রথমবার ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার আগে আর কিছুই বলেননি প্রাক্তন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
-
‘দ্বিতীয়বার আসতে হলে ভালো হবে না’, মাফিয়ারাজ রুখতে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শঙ্করের
-
মেঘ-বৃষ্টির পাহাড়ে রোমাঞ্চের হাতছানি, টিকিট কাটার আগে এই ভুল করলেই বিপদ!
-
জমি জেহাদ থেকে ধর্মান্তকরণে নতুন আইন, ‘হিন্দু হোমল্যান্ড’ রক্ষায় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
পেটে লাথি মেরে দেব! সিএবি নির্বাচনে তৃণমূল নেতার ‘হুমকি’, এবার ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ আরেক জেলার