arrest

খাস কলকাতায় ক্যাবে সহযাত্রী সেজে গয়না-টাকা লুট! পুলিশের জালে ৪ যুবক

বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটিকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২১, ২১:২০

options
link
খাস কলকাতায় ক্যাবে সহযাত্রী সেজে গয়না-টাকা লুট! পুলিশের জালে ৪ যুবক

অর্ণব আইচ: ক্যাবে গন্তব্যে যাওয়ার পথে খাস কলকাতায় (Kolkata) কয়েকজন যুবকের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছিলেন অঞ্জন বিশ্বাস। জোর করে তাঁকে দিয়ে এটিএম থেকে টাকাও তুলিয়ে নিয়েছিল অভিযুক্তরা। কিন্তু শেক্ষরক্ষা হল না। ১০ দিনের মাথায় পুলিশের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত চার যুবক।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে। ওইদিন ইএম বাইপাসের দেবদাস বারের উলটো দিক থেকে একটি ক্যাবে ওঠেন আদতে ত্রিপুরার বাসিন্দা বছর ৫১-এর অঞ্জন বিশ্বাস। সেই গাড়িটিতে আগে থেকেই চালক-সহ ৪ জন ছিল। জানা গিয়েছে, গাড়িটি লস্করহাট এলাকায় পৌঁছতেই রাস্তার পাশে থাকা শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে নামে এক যুবক। অভিযোগ, ফিরে এসে অঞ্জনবাবুকে জোরপূর্বক গাড়িতে মাঝের আসনে বসতে বাধ্য করে ওই যুবক ও তার সাগরেদরা। তখনই চোখ বেঁধে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তির। এরপর অঞ্জনবাবুর গলায় থাকা সোনার হার ও সঙ্গে থাকা ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তাঁরা। এখানেই শেষ নয়। চোখ বাধা অবস্থাতেই অভিযুক্তরা ওই ব্যক্তিকে বাধ্য করেন এটিএম থেকে ৪০ হাজার টাকা তুলে দিতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নাকি অন্য কিছু? বাগুইআটিতে বার সিঙ্গার ‘খুনে’ ধন্দ]

এরপর চোখ বাঁধা অবস্থাতেই ঢালাই ব্রিজ এলাকায় অঞ্জনবাবুকে গাড়ি থেকে নামিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। সঙ্গে সঙ্গে থানায় গিয়ে গোটা ঘটনাটি জানান তিনি। তদন্ত শুরু করে পুলিশ (Police)। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে শুরু হয় অভিযুক্তদের খোঁজ। অবশেষে রবিবার রাজু মাঝি, দশরথ পোদ্দার, শেখ ভিকি ও অর্পন সেন নামে চার যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে গাড়ির চালকও। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অঞ্জনবাবু। আগে থেকেই এই লুঠের ছক কষেছিল অভিযুক্তরা? পরিকল্পনামাফিক অঞ্জনবাবুকে অনুসরণ করছিল তারা? এহেন একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বছরের শুরুতেই তৎপর জোট নেতৃত্ব, ফেব্রুয়ারিতে ব্রিগেডে যৌথ সমাবেশ বাম-কংগ্রেসের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.