খাস কলকাতায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে বোমাবাজি (Bombing), গুলি (Firing) চালানোর অভিযোগ। পিকনিককে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক (Golpark Violence) এলাকা। দু’পক্ষের মধ্যে চলে ইটবৃষ্টিও। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ জন। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিক বাইক-স্কুটার ভাঙচুর চালায়। এমনকী পুলিশের গাড়িতেও হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর। দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। এলাকা থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার কাঁকুলিয়া রোডে ঘটেছে এই ঘটনা। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এদিন তাঁদের পিকনিক ছিল। পিকনিক সেরে তাঁরা এলাকায় ফেরন। রাত সাড়ে আটটার কিছু পরে অন্য এলাকার বেশ কিছু যুবককে তাঁদের এলাকায় আসতে দেখেন। হঠাৎই তাঁরা তাণ্ডব চালাতে শুরু করে। ভয়ে এলাকার মহিলারা বাড়ির ভিতরে চলে যান। কিছু স্থানীয় বাসিন্দা দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, ইটের ঘায়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। রাস্তায় রক্তের ছাপ মিলেছে। অভিযোগ, গোলমাল চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। তাদের ২ জন আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে ক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। অভিযোগ, তখনই জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। হামলার জেরে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখল করার জন্য দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু তার অনুগামীদের পাঠিয়ে গোলমাল করেছে। একটি দলীয় অফিসে তারা হামলার টার্গেট করেছিল বলেও অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের
-
১৯৬৭-তে চন্দননগরে আসেন সন্ন্যাসী সুভাষচন্দ্র! কেউ জানত না?