ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: কলকাতার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে এসএসকেএম-এ দুষ্কৃতী তাণ্ডব। রবিবার সকালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে হকি স্টিক, লাঠি নিয়ে ঢুকে পড়ে একদল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। এর পর হাতের সামনে যাকে পায় তাঁর উপরই চড়াও হয় তারা। মারধর করা হয়। রবিবার সকালের এই ঘটনায় আতঙ্কে ভুগছেন চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী সকলেই। কিন্তু কেন এই হামলা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, এদিন সকাল আটটা নাগাদ বাইক নিয়ে কিছু যুবক আচমকাই হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টার চত্বরে ঢুকে পড়ে। তাদের হাতে ছিল হকি স্টিক, লাঠি, উইকেট। সেই সময় এক রোগীর আত্মীয় সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মাথা ফাটে ওই যুবকের। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা করা হয়।
জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশের অভিযোগ, ট্রমা কেয়ার সেন্টারে কোনও পুলিশ ছিল না। গণ্ডগোলের কথা শুনে কিছু পুলিশ কর্মী সেখানে এলেও কোনও পদক্ষেপ করেনি। বিনা বাধায় তাণ্ডব চালিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। সূত্রের দাবি, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলার জেরেই এই হামলা। কিন্তু পুলিশ কেন কোনও ব্যবস্থা নিল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
উল্লেখ্য, যে ১০ দফা দাবি নিয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়ে আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, তার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তাও অন্যতম। রাজ্য সরকারের দাবি, সেই কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। অন্তত ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু এর মাঝেই কলকাতা শহরের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সাতসকালে এই হামলার ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলে দিল নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে।
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী