খুন

খুনের পর ভাইপোর দেহ ফ্রিজে লোপাট কাকার! মাছ বাজারে হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১১:৫৭

options
link
খুনের পর ভাইপোর দেহ ফ্রিজে লোপাট কাকার! মাছ বাজারে হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাওড়ার মাছ বাজরের ফ্রিজে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। জানা গিয়েছে, মদ্যপানের সময় বচসার জেরে কাকার হাতে খুন হয়েছেন ছোটন রাই। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সুরেন্দ্র রাইকে হাওড়া আদালতে তোলা হলে তাঁকে ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। সোমবার সকালে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় হোলসেল বাজারের ফ্রিজে কারও দেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই ফ্রিজ থেকে ছোটনের কাঠের মতো শক্ত দেহ উদ্ধার করে। সুরেন্দ্রকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রথমে খুনের কথা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সুরেন্দ্র। পরে যদিও খুনের কথা স্বীকার করে নেয় সে। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, সম্পর্কে ছোটনের কাকা হয় অভিযুক্ত সুরেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে ছোটন হাওড়া স্টেশনে কুলির কাজ করতেন। আর হাওড়া মাছ বাজারে থাকত অভিযুক্ত সুরেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে জমি-জায়গা নিয়ে তাঁদের মধ্যে অশান্তি চলছিল। তা নিয়ে একাধিকবার হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েছিল দু’জন। সূত্রের খবর, কালীপুজোর দিন মাছবাজার ফাঁকা থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভাইপো ছোটনকে বাজারে ডেকে পাঠিয়েছিল অভিযুক্ত। সেখানে মদ্যপানও করে দু’জন। সেই সময় ফের দু’জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। তখনই ভারি বাটখারা দিয়ে ছোটনের মাথায় আঘাত করে সুরিন্দর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছোটনের। এরপরই প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহটি ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখেছিল অভিযুক্ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭২ বছর পরেও নেই রাস্তা, রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে ভরসা ‘ডুলি’]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.