Humayun Kabir

‘মমতা আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন’, ফের তৃণমূলনেত্রীকে ‘বন্ধুত্বে’র আহ্বান হুমায়ুনের

গতবছরের শেষদিকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের দল ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তৃণমূল সরকারের উৎখাতের ডাকও দিয়েছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৪:৪৮

options
link
‘মমতা আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন’, ফের তৃণমূলনেত্রীকে ‘বন্ধুত্বে’র আহ্বান হুমায়ুনের
'মমতা আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন', ফের তৃণমূলনেত্রীকে 'বন্ধুত্বে'র আহ্বান হুমায়ুনের

তৃণমূলের এখন ডুবন্ত জাহাজ! দলের নেতারা অধিকাংশই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাত ছেড়েছেন। গদিছাড়া হতেই যে তিনি একেবারে একা হয়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir)। বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন। এতে সমস্যার তো কিছু নেই।”

Advertisement

পালাবদল হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২৮ বছরের লড়াইয়ের ফসল তৃণমূল। যাদের চোখ বন্ধ করে ভরসা করতেন দলনেত্রী, সেই বিধায়ক-সাংসদরাও দূরে সরে গিয়েছেন। ফলে পরিষদীয় দলের রাশ হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদীয় দলের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। ২৮ জনের জন্য ২০ জন সাংসদ এনডিএর শরিক হতে এনসিপিআই নামে একটি ‘অচেনা’ দলে নাম লিখিয়েছেন। ফলে তৃণমূল এখন অস্বিত্ব সংকটে। একসময় যার নির্দেশে রাজনীতি করেছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দুর্দিনে পাশে থাকতে চাইছেন হুমায়ুন।

Advertisement

এদিন রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, “ওনার দলের বিধায়করা হাত ছেড়ে আলাদা হয়ে গিয়েছেন। সাংসদরা ঘুরপথে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। আমি চাই উনি রাজনীতিতে থাকুন। আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন। আমি চাই উনি আবার নির্বাচনে লড়ুন।” উল্লেখ্য, গতবছরের শেষদিকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের দল ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তৃণমূল সরকারের উৎখাতের ডাকও দিয়েছিলেন। যদিও যতটা গর্জে ছিলেন তার সামান্য পরিমাণ কাজে করে দেখাতে পারেননি। তবে ঘটনাচক্রে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি দলও। তারপর থেকেই একাধিকবার নেত্রীর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন রেজিনগরের বিধায়ক। আগে তিনি বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ালে জিতে আসতে পারবেন না। কিন্তু উনি চাইলে আমি ওনাকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি। তার জন্য নেত্রীকে আমার কাছে আসতে হবে। আমি রেজিনগর আসন ছেড়ে দেব। ওনার কথা কেউ না শুনলেও রেজিনগরে হুমায়ুনই শেষ কথা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.