CM Suvendu Adhikari

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলে স্কুলে সাহায্য বন্ধ, মাদ্রাসা নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বাম জমানা ও তৃণমূল আমলের শিক্ষানীতির সমালোচনাও করেন শুভেন্দু।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১২:০০

options
link
‘বন্দে মাতরম’ না গাইলে স্কুলে সাহায্য বন্ধ, মাদ্রাসা নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি

রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় সমস্ত বৈষম্য দূর করে এক শিক্ষাব্যবস্থা চালুর বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যাভারতীর বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সরকারি অনুদান পেতে হলে স্কুলের প্রার্থনা সভায় পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গাওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, রাজ্যে আলাদা কোনো মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা না থাকারও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

Advertisement

প্রার্থনায় পূর্ণাঙ্গ বন্দেমাতরম বাধ্যতামূলক করার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রথমে কিছুজনের আপত্তি ছিল, কেন পুরোটা গাইতে হবে। আমি বললাম, সরকারি সাহায্য নেওয়া এবং দেওয়া দু’টোই বন্ধ হবে। শিক্ষা সচিব ভিডিও পাঠালেন, দেখালাম অনেকে দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু ঠোঁট নড়ছে না। বললাম ঠোঁটও নাড়াতে হবে।” এই সরকার রাষ্ট্রবাদী সরকার, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, দীনদয়াল উপাধ্যায়, বিদ্যাসাগর, স্বামীজির ভাবধারাকে সামনে রেখে এগোনোর বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেখতে থাকুন ধীরে ধীরে আলাদা করে কোনও মাদ্রাসা এডুকেশন সিস্টেম থাকবে না। সব বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা দপ্তর দেখবে আর আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা করে দেখা হবে, এসব চলবে না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে আগামী এক বছরে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত রাজ্যে ‘বিদ্যাভারতীর’ বিদ্যামন্দিরের সংখ্যা এক হাজারে পৌঁছনোর ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বাম জমানা ও তৃণমূল আমলের শিক্ষানীতির সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “সিঙুরে টাটাকে তাড়ানো সিলেবাসে ছিল কিন্তু ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, স্বামী প্রণবানন্দর পশ্চিমবঙ্গ তৈরির ইতিহাস রাখা হয়নি। চাকরি চুরির দায়ে অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাবেন কিন্তু আত্মবলিদান দেওয়া ক্ষুদিরাম বসু বা মাতঙ্গিনী হাজরার নাম খুঁজতে গেলে অনেক পাতা ওল্টাতে হবে।” কলকাতার এক স্কুলে এক খুদে পড়ুয়ার চন্দনের টিপ মোছানোর সমালোচনাও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট কথা, “কে টিকা রাখবে, কে টিকি রাখবে কিংবা কে গলায় তুলসী রাখবে, এটা তো তার নিজের ঐতিহ্য।” এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন বিদ্যাভারতীর যতীন্দ্র কুমার শর্মা, রবীন্দ্র চামারিয়া-সহ বহু বিশিষ্ট। শিল্পজগতের বহু মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.