রাজ্যপাল

‘জয় শ্রীরাম’ রাজনৈতিক স্লোগান হয়ে গিয়েছে, মানলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি

বিরোধীদের বক্তব্যেই সিলমোহর রাজ্যপালের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৯, ১৮:১৭

options
link
‘জয় শ্রীরাম’ রাজনৈতিক স্লোগান হয়ে গিয়েছে, মানলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘জয় শ্রীরাম’ ইস্যুতে বিরোধীদের অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। রাজ্যপালের বক্তব্য, ‘জয় শ্রীরাম’ এখন রাজনৈতিক স্লোগানই হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ, নীতি আয়োগের বৈঠকে যাচ্ছেন না মমতা]

একদা যা ছিল ধর্মীয় ধ্বনি, তা এখন  রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে। লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে ‘জয় শ্রীরাম’ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলকর্মীদের দেখলেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলছেন বিজেপি কর্মীরা। এমনকী, বাদ যাচ্ছেন না খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দু’বার তাঁর কনভয়ে সামনে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। দুটি ক্ষেত্রেই মেজাজ হারিয়েছেন তিনি। দিন কয়েক আগে ভাটপাড়ায় যখন এমন ঘটনা ঘটে, তখন অভিযুক্তদের মেরে চামড়া গুটিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ঘটনার ভিডিও আবার ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিড়ম্বনায় পড়তে হয় এ রাজ্যের শাসকদলকে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী প্রতিক্রিয়াকে হাতিয়ার করে তাঁকে ‘জয় শ্রীরাম’ তথা হিন্দু বিরোধী বলে প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। শেষপর্যন্ত বাধ্য ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ফেসবুকে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘জয় সিয়ারাম, জয় রামজি, রাম নাম সত্য হ্যায়…সবই ধর্মীয় স্লোগান। এগুলির সঙ্গে ধর্ম বা সমাজের যোগ রয়েছে। আমরা এই আবেগকে সম্মান করি।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা, কোন ধর্মীয় স্লোগানে তাঁর আপত্তি নেই। বরং সব ধর্মের স্লোগানকেই সম্মান করেন। কিন্তু বিজেপি যেভাবে ধর্ম ও রাজনীতিকে মিলিয়ে বিভাজনের চেষ্টা করছে, তা রুখতে হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যকেই কার্যত মান্যতা দিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী।  উল্লেখ্য, রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রশাসনের সম্পর্ক একেবারেই মধুর নয়। বহুবারই তাঁর বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এদিন রাজ্যপালের মন্তব্যে সমীকরণে অন্য একটি দিক দেখতে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ৷

Advertisement

[আরও পড়ুন: আদৌ কি ভারতীয় অঞ্জু ঘোষ, একাধিক নথিতে নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.