Jammu-Kashmir Terror Attack

সন্ত্রাসবাদীদের ধর্ম হয় না, জাত হয় না, এরা জন্মগত অপরাধী! পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় সরব মমতা

সীমান্ত এলাকায় এমন হত্যালীলা চলল অথচ সঙ্গে সঙ্গে সেনা কেন পৌঁছল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৫, ২০:৫১

options
link
সন্ত্রাসবাদীদের ধর্ম হয় না, জাত হয় না, এরা জন্মগত অপরাধী! পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় সরব মমতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার (Terror Attack) পর থেকে সন্ত্রাসের ধর্ম নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘পলিটিক্যাল ইসলাম’ নিয়ে সোশাল মিডিয়া তোলপাড়। ঘোলা জলে ধর্মীয় বিভেদের চেষ্টা চালাচ্ছে কেউ কেউ। এর মাঝেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ বার্তা, জঙ্গিদের কোনও জাত হয় না। ধর্ম হয় না। এরা সবাই অপরাধমনস্ক।

Advertisement

বুধবার রাজ্য়পাল সি ভি আনন্দ বোস এবং মুকুল রায়কে দেখতে বাইপাসের ধারের এক বেসরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। শুরুতেই সেখানে হামলার নিন্দা প্রস্তাব পাশ করা হয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন,”কী হয়েছে না হয়েছে পরে দেখব। কিন্তু এখন সম্পূর্ণভাবে নিন্দা করছি। এরা বরন ইন ক্রিমিনাল (জন্মগত অপরাধী)।” তারপরই মমতার সংযোজন, “এদের কোনও ধর্ম হয় না, জাত হয় না। এরা একটা ক্লাস। এদের ক্ষমাও করা যায় না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ের রিসর্টে রীতিমতো ধর্ম যাচাই করে খুন করা হয়েছে ২৬ জনকে। কাউকে কলমা পড়তে বলে ধর্ম যাচাই করেছে তো কারও স্ত্রীর মাথায় থাকা সিঁদুর দেখে জারি করা হয়েছে মৃত্যু পরোয়ানা। কারও তো আবার পোশাক খুলিয়ে ধর্ম যাচাই করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের এই অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিশেষ একটি ধর্মের বিরুদ্ধে বিষোদগার চলছে। এমন পরিস্থিতিতে মমতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

২৬ জনকে খুন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছিল জেহাদিরা। লম্বা সময় ধরে চলেছে নারকীয় হত্যালীলা। ‘সেনসিটিভ’ সীমান্ত এলাকায় এমন হত্যালীলা চলল অথচ তার মধ্যে সেনা কেন পৌঁছল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তাঁর কথায়,”আমি বুঝতে পারছি না এতক্ষণ সময় লেগে গেল কেন? ওখানে তো অনেক আর্মি ছিল। বর্ডার এলাকা, সেনসেটিভ এলাকা। এসব নিয়ে এখন কথা বলব না।” পরিশেষে মমতা বলেন, “আমরা যেটা চাই যারা এটা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন