‘ইসকো হাটানা পড়েগা’, ছাত্র পরিষদের সভায় কৌস্তভের কাণ্ডে বিরক্ত কানহাইয়া

গোলমাল দেখলে রেয়াত করা হবে না, সাফ বার্তা কংগ্রেসের যুব নেতার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৩, ১২:২১

options
link
‘ইসকো হাটানা পড়েগা’, ছাত্র পরিষদের সভায় কৌস্তভের কাণ্ডে বিরক্ত কানহাইয়া

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে গোলমাল পাকালো এই ছেলেটা কে? মহাজাতি সদনের মঞ্চে বসে সেই গোলমালের শুরুটা দেখেছিলেন কানহাইয়া কুমার (kanhaiya Kumar) নিজেই। পরে খবর নিতেই কৌস্তভ বাগচি সম্পর্কে বাকি রিপোর্ট পান। শেষে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে কলকাতা ছাড়ার আগেই ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন, এসব রেয়াত করা হবে না।

Advertisement

এমনকী, ছাত্র পরিষদের (Chhatra Parishad) অনুষ্ঠানে এমন একটু-আধটু রীতি যে আছে কানহাইয়াকে সে কথা বলেও ছাড় মেলেনি। সূত্রের খবর, কানহাইয়ার সাফ বলে দিয়েছেন, ‘যাঁহা কহেনা হোগা কহে দেঙ্গে’। সেক্ষেত্রে কৌস্তভ (Kaustav Bagchi) নিয়ে সিদ্ধান্ত হলেও হতে পারে বলে মনে করছে প্রদেশ নেতৃত্ব। যদিও দলের একাংশের মত ভিন্ন। এক সাধারণ সম্পাদকের কথায়, “কৌস্তভকে নেতা বানিয়েছে সংবাদমাধ‌্যম। দল ওকে গুরুত্বই দেয় না। ফলে তাকে শাস্তি দিয়ে অযথা হিরো বানানো হবে কেন?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আকসাই চিনে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে লালফৌজ! নয়া ছবি ঘিরে চাঞ্চল্য]

যদিও হাই কমান্ডের এ অভিজ্ঞতা তেমন নেই। তাই কানহাইয়া এই ঘটনায় রীতিমতো বিরক্ত। কলকাতা ছাড়ার আগে তাঁর হাতে ভীম নাগের সন্দেশ তুলে দিয়েছিলেন এক বন্ধু। দমদম বিমানবন্দরে (Dumdum Airport) দাঁড়িয়ে সোমবারের মতো সেই শেষ আড্ডায় তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ছিলেন ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন ও বর্তমান ক’জন নেতাও।
সন্দেশ খেতে খেতেই তাঁদের সঙ্গে কথা চলছিল। সেই ফাঁকেই দেহাতি কানচেরা স্পষ্ট হিন্দিতে কানহাইয়ার প্রশ্ন, ‘ইয়ে লড়কা কৌন হে?’ তাঁকে কৌস্তভের অতীত-বর্তমান সবই জানানো হয়। কানহাইয়া সটান বলে দেন, ‘ইসকো হাটানা পড়েগা। ও যো কিয়া দেখা হামনে। উসকে সাথ দো লড়কে থে, দেখে আপ?’ ছাত্র পরিষদের নেতাদের প্রশ্ন করেন কানহাইয়া। উল্লেখ‌্য, সভায় বা মঞ্চে যতক্ষণ কৌস্তভ ছিলেন, ততক্ষণ লাগাতার ‘কৌস্তভ বাগচী জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে গিয়েছেন তাঁর দু’-তিনজন অনুগামী। এমনকী, প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) সামনেও সেই স্লোগান চলছে। তখন মঞ্চে কানহাইয়াও। তার কিছু পরেই গোলমাল শুরু হয় মহাজাতি সদনের বাইরের বারান্দায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আগেই বলেছি, লাদাখ নিয়ে মিথ্যে বলছেন মোদি’, চিনা ম্যাপ বিতর্কে তোপ রাহুলের]

জনপ্রিয় ছাত্রনেতার অভিজ্ঞতা থেকে সবটা দেখেশুনে কানহাইয়া তাঁর উপলব্ধি থেকেই বলেন, ‘উও যো লড়কে থে, ও স্টুডেন্ট নহি থে। উসকে সাথী থে। ও পুরা মিটিং নারে লাগাতে রহে। দেখা ম‌্যায়নে’। তাঁর স্পষ্ট ইঙ্গিত, এ জিনিস ছেড়ে দেওয়া যাবে না। ছাত্র নেতারাও বলছেন, “কানহাইয়া সবটা নিজে দেখেছেন। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.