KMC

বহুতলের ছাদ নয়, এবার ভূগর্ভে রেন ওয়াটার হারভেস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার

এতে কী সুবিধা মিলবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১৪:৪৫

options
link
বহুতলের ছাদ নয়, এবার ভূগর্ভে রেন ওয়াটার হারভেস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার
ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: এতদিন বহুতলের ছাদে রেন ওয়াটার হারভেস্টিং হয়েছে। এবার হবে ভূগর্ভে। অভিনব পদক্ষেপ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডের প্রায় ৯০টি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে বর্ষার সময় জলে ভেসে যায়। পাম্প চালিয়ে জল সরাতে হয়। সেইসব জায়গায় ‘রেন ওয়াটার হারভেস্টিং’ হবে। পুর নিকাশি বিভাগ ইতিমধ্যেই সমীক্ষা সম্পূর্ণ করেছে বলে খবর।

Advertisement

কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, পূর্ব ভারতের মধ্যে কলকাতা পুরসভাই প্রথম এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মাটির ১০ মিটার নিচে পৃথক দু’টি চেম্বারে বর্ষার জল জমিয়ে পরিশ্রুত করে পরে তা আবার প্রকৃতিতেই ফিরে যাবে। ফলে দু’ভাবে লাভবান হবে কলকাতা। প্রথমত, নিচু এলাকায় বর্ষার জল কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া যাবে। দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যুগের পর যুগ ধরে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় ডিপ টিউবওয়েলে জল তোলা হত। এখনও সংলগ্ন এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ড পাম্পের জলের উপর নির্ভর করে। ফলে মাটির ভূগর্ভস্থ জলস্তর কমতে শুরু করেছে। এমনকী আর্সেনিকের প্রকোপ নিয়েও বিভিন্ন সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। রেন ওয়াটার হারভেস্টিংয়ের ফলে বৃষ্টির জল মাটিতে মিশলে সেই সমস্যার অনেকটাই সুরাহা হবে। জলস্তর ক্রমশ বাড়বে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক পুরকর্তার কথায়, মাটির উপরে একটি খোলা পাইপ থাকবে। সেই পাইপ দিয়ে বর্ষার জল মাটির অন্তত ১০ মিটার নিচে ৭ফুট লম্বা ও সাড়ে চার ফুট চওড়া চেম্বারে জমা হবে। অপরিস্রুত জল থিতিয়ে গেলে পাশের মাইক্রো চেম্বারে পাঠানো হবে। দ্বিতীয় দফায় পরিশ্রুত হওয়ার পর সেই জল মাটিতেই মিশে যাবে। উত্তর কলকাতার বাগবাজার বা আমহার্স্ট স্ট্রিট বা দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি, চেতলা, কালীঘাট, জাজেস কোর্ট রোড-সহ গার্ডেনরিচ জল উৎপাদন ও সরবরাহ কেন্দ্রের মধ্যেই এই প্রকল্প করার জন্য জায়গা চিহ্নিত করার কাজ হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, কাজ সুষ্ঠুভাবে করার জন্য সংশ্লিষ্ট বরো চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করেই কাজ হবে। কারণ, কোন এলাকায় জল জমে তা ভাল করে বলতে পারবেন বরো চেয়ারম্যান। বস্তুত, বৃষ্টির জল পরিশ্রুত করে মাটিতে ফিরিয়ে দেওয়ার এই প্রকল্পকে ঘিরে রীতিমতো উৎসাহিত পুর আধিকারিকরা। কারণ, প্রকল্প সফল হলে রাজ্যের অন্য পুরসভাতেও এইভাবে বৃষ্টির জলকে মাটিতে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন