দুর্গাপুজো মানেই শহরজুড়ে বিজ্ঞাপনের ছয়লাপ। তবে এবার পুজোয় যত্রতত্র হোর্ডিংয়ের বাড়বাড়ন্ত রুখতে কড়াকড়ি কলকাতা পুরসভার। দুর্গাপুজোয় শহরের রাস্তায় হোর্ডিং, ব্যানার, ফ্লেক্স বসাতে কলকাতা পুরসভার অনুমতি বাধ্যতামূলক। কলকাতা পুরসভার সম্মতিপত্র নিয়ে তবে রাস্তায় হোর্ডিং ঝোলাতে পারবে পুজো উদ্যোক্তারা। সূত্রের খবর, এই বছর প্রথম পুরসভার তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরসভার বিজ্ঞাপন দপ্তরে আবেদন করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের। কলকাতা পুরসভার তরফে বলা হয়েছে, ৩ অক্টোবরের আগে কোনও হোর্ডিং, ফ্লেক্স, ব্যানার লাগানো যাবে না। ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পুজোর সব হোর্ডিং খুলে ফেলতে হবে।
পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরসভার বিজ্ঞাপন দপ্তরে আবেদন করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদন করা যাবে। হোর্ডিং, ব্যানার বা ফ্লেক্স টাঙানোর ক্ষেত্রে একগুচ্ছ শর্তও মানতে হবে উদ্যোক্তাদের। কলকাতা পুরসভার তরফে বলা হয়েছে, ৩ অক্টোবরের আগে কোনও হোর্ডিং, ফ্লেক্স, ব্যানার লাগানো যাবে না। ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পুজোর সব হোর্ডিং খুলে ফেলতে হবে।
এবার রাস্তায় বাঁশের গেট করার ক্ষেত্রেও উচ্চতা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পুরসভা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিজ্ঞাপনের জন্য বাঁশের অস্থায়ী গেটের সর্বোচ্চ উচ্চতা ২২ ফুট হতে হবে।
প্রতি বছর পুজোর সময়ে শহরের বড় পুজো সংলগ্ন রাস্তায় বাঁশের কাঠামো তৈরি করে হোর্ডিং, ব্যানার, ফ্লেক্স টাঙানো হত। এই সব হোর্ডিং কত দিন রাস্তায় থাকবে, তা নিয়ে পুরসভার তরফে কোনও অনুমতি নিতে হত না বলে খবর। যার ফলে পুজো মিটে গেলেও বাঁশের কাঠামো-সমেত বিজ্ঞাপন দীর্ঘ দিন পড়ে থাকতে দেখা যেত রাস্তায়। তবে এবার রাস্তায় বাঁশের গেট করার ক্ষেত্রেও উচ্চতা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পুরসভা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিজ্ঞাপনের জন্য বাঁশের অস্থায়ী গেটের সর্বোচ্চ উচ্চতা ২২ ফুট হতে হবে।
হোর্ডিং, ব্যানার টাঙানোর ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের আরও বেশ কয়েকটি নিয়ম মানতে হবে। যেমন – পুজোর ক’টা দিন হোর্ডিং, ব্যানার, ফ্লেক্স এমন ভাবে বসাতে হবে, যাতে অন্য স্থায়ী হোর্ডিং, রাস্তার আলো, যাত্রী ছাউনিতে সমস্যা না হয়। ব্যানার, হোর্ডিংয়ের আয়তন কতটা হবে, আবেদনপত্রে তাও উল্লেখ করতে হবে উদ্যোক্তাদের। পুরসভা আরও জানিয়েছে, অনুমোদন পাওয়া হোর্ডিংয়ে পুরসভার পারমিশন আইডি, পুজো কমিটির নাম ও বিজ্ঞাপনদাতার নাম-ফোন নম্বর লেখা থাকতে হবে। এই সমস্ত শর্ত মেনে নির্দিষ্ট সময়ে হোর্ডিং লাগানো যাবে, অন্যথায় নিয়ম ভাঙা হলে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেবে পুরসভা।
সর্বশেষ খবর
-
‘রাম ধনীদের দেবতা, শিব গরিবের’, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির মন্তব্যে বিতর্ক
-
‘রাতটা স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করব’, ব্রাজিল ম্যাচের আগে হুঙ্কার উইলিয়ামসের
-
৬ মাসের শিশুর প্রাণ বাঁচাতে প্রয়োজন ১৭ কোটি! জনতার দরবারে ‘ত্রাতা’ হয়ে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
শত্রু এখন বন্ধু! পাক ক্রিকেটের ‘সুদিন’ ফেরাতে সমালোচক আখতারকে বড় দায়িত্ব দিচ্ছেন নকভি
-
ড্রাইভার-কন্ডাক্টর থেকে বাসমালিক, গণপরিবহণ সচল নারীদের বাসযাত্রায়