স্টাফ রিপোর্টার: ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচ। বাংলাদেশকে জিততে হলে এক বলে এক রান দরকার। কিন্তু সেই সময়েও মাথা ঠান্ডা রেখে রান আউট করে ভারতকে জিতিয়েছিলেন ধোনি। দেখিয়ে দিয়েছিলেন, মাথা ঠান্ডা রাখলে সবকিছুতে সফল হওয়া সম্ভব। শনিবার সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে বলতে গিয়ে সুদূর মুম্বই থেকে ফোনে তাঁর আদর্শ মহেন্দ্র সিং ধোনির উদাহরণই তুলে ধরলেন দেবাংশ। দেবাংশ চন্দক। সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় দেশের মধ্যে দেবাংশর স্থান পঞ্চম। রাজ্যে সম্ভাব্য প্রথম। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫।
বিড়লা হাই স্কুলের ছাত্র দেবাংশের কথায়, স্কুলে অন্যান্য বন্ধুদের দেখেছি পড়াশোনা বিষয়টাতেই অদ্ভুত একটা ভীতি। দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বই নিয়ে না বসে থাকলে নাকি ভাল ফলই হয় না। “আমি কিন্তু পড়াশোনাকে কখনওই ওভাবে দেখিনি। আমি আর পাঁচটা খেলার মতোই মনে করতাম লেখাপড়াকে। মজা পেলে পড়তাম। আর না পেলে বইয়ের গা ঘেষতাম না।” অকপট স্বীকারোক্তি তাঁর। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির অন্ধভক্ত দেবাংশ জানালেন, “ছোট থেকে খুব প্যানিক হত। একটুতে ঘাবড়ে যেতাম। সে কারণে কখনও ডাক্তার হতে চাইনি। মনে হত, ঘাবড়ে গিয়ে যদি ভুল অস্ত্রোপচার হয়ে যায়। কিন্তু ধোনিকে দেখেই মাথা ঠান্ডা রাখতে শিখেছি। পুরোটা শিখতে পারলে ধোনির মতোই জীবনে কেল্লাফতে করতে পারব।” শুধু ক্রিকেট দেখা নয়, প্রত্যেকদিন নিজেও ক্রিকেট খেলেন দেবাংশ। তাঁর কথায়, ক্রিকেট, লন টেনিস, সাঁতার সবকিছুই তাঁকে জীবনের ইতিবাচক দিক শিখিয়েছে।
[মাংসে আস্থা ফেরাতে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ব্যবস্থা আনতে চলেছে রাজ্য]
দশম শ্রেণি পর্যন্ত লা মার্টেনিয়ার ফর বয়েজ-এর ছাত্র ছিলেন। কিন্তু একাদশ শ্রেণিতে বিড়লা হাই স্কুলে ভর্তি হন দেবাংশ। কিন্তু জীবনের ভিত গড়তে লা মার্টিনিয়ারের শিক্ষকদেরই কৃতিত্ব দিতে চান দেবাংশ। অবশ্য দ্বাদশে নজরকাড়া ফলের জন্য বিড়লা হাই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এগিয়ে রাখছেন তিনি। ভবিষ্যতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়তে চান দেবাংশ। প্রথম পছন্দ মুম্বই আইআইটি। সে কারণে জেই অ্যাডভান্স পরীক্ষার ফলাফলে পাখির চোখ তাঁর। সম্প্রতি প্রকাশিত জেই মেইন পরীক্ষার ৬৫৭ স্থান হয়েছে দেবাংশের।
এদিকে কলকাতায় মেয়েদের মধ্যে সম্ভাব্য প্রথম তানিস্কা গুপ্তর পড়ার কারণ ছিল অন্যরকম। ভয় পেও না, জানার জন্য পড়ো। এই মন্ত্রেই বাজিমাত করলেন তানিস্কা। সিবিএসই দ্বাদশ পরীক্ষায় যার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। শতাংশের বিচারে ৯৮.৬ শতাংশ নম্বর তাঁর ঝুলিতে। জীবনের এত বড় সাফল্য স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। কলকাতার রুবি পার্কের দিল্লি পাবলিক স্কুলের ছাত্রীর কাছে পড়াশোনা কোনও ‘হেডেক’ নয়। নিজেই জানিয়েছে, “আগামী দিনে যাঁরা পরীক্ষা দেবে তাদের বলব জানার জন্য পড়ো। খেলার ছলে পড়ো। ঠিক যেভাবে গল্পের বই পড়ো। সেভাবেই টেক্সট বুক পড়ো। দেখবে আশি শতাংশ চাপ কমে যাবে।”
[পাড়ার মহিলাদের অশ্লীল ছবি তোলাই শখ, জানাজানি হতেই পলাতক যুবক]
পড়াশোনা ছাড়াও নানা বিষয়ে উৎসাহ রয়েছে তাঁর। যেমন? “আমার গিটার বাজাতে ভীষণ ভাল লাগে। ভাল লাগে নাচতেও। পড়তে ইচ্ছে না করলে আমি টিভি দেখে পছন্দের নাচের স্টেপ তুলে নিতাম।” বলেন কৃতি ছাত্রী। এছাড়া হলিউডের সিনেমা পছন্দ তানিস্কার। ভবিষ্যতে চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চান তানিস্কা।
সর্বশেষ খবর
-
কর্মী-সমর্থকদের ঘেরাটোপে থানায় হাজিরা অভিষেকের, ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডের তলবে সাড়া
-
নেপালের বন্যায় ভেসে গিয়েছে বাসস্থান, নিখোঁজ প্রভু! ধ্বংসস্তূপে ঠায় অপেক্ষা কুকুরের
-
স্কুলেই ‘তাল উৎসব’, মিড ডে মিলে পাতে পড়ল তালের বড়া, ফুলুরি, লুচি! চেটেপুটে খেল পড়ুয়ারা
-
‘ও একটা আবর্জনা, নদর্মার মতো মানসিকতা,’ সানা মকবুলের নিশানায় মাহি ভিজ! জোর জল্পনা
-
প্রোজেক্টের কাজে জয়পুর গিয়েছিলেন বাংলার পড়ুয়া, চলন্ত ট্রেন থেকে ভ্যানিশ! উদ্বিগ্ন পরিবার