Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Taal Utsav

স্কুলেই ‘তাল উৎসব’, মিড ডে মিলে পাতে পড়ল তালের বড়া, ফুলুরি, লুচি! চেটেপুটে খেল পড়ুয়ারা

জানেন কেন এমন উৎসবের আয়োজন?

ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৪:২৬

link
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৪:২৬

options
link
স্কুলেই ‘তাল উৎসব’, মিড ডে মিলে পাতে পড়ল তালের বড়া, ফুলুরি, লুচি! চেটেপুটে খেল পড়ুয়ারা zoom
মিড ডে মিলে পাতে পড়ল তালের বড়া, ফুলুরি, লুচি!
Advertisement

মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) পড়ুয়াদের পাতে যাতে সুষম খাবার দিতে ইতিমধ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বাড়ানো হয়েছে মিড ডে মিলে বরাদ্দ। করা হয়েছে ১০ টাকা। শুধু তাই নয়, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনের হাতে। সেই মতো পড়ুয়াদের পাতে পড়ছে পুষ্টিকর খাবার। তবে এবার ভাত, ডাল, তরকারির সঙ্গেই পাতে পড়ল তালের বড়া, লুচি এবং ফুলুরি। আর তা একেবারে চেটেপুটে খেল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের শিবদা প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়ারা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমেন পাঁজা বলেন, ”এটা নতুন কিছু নয়। মাঝেমধ্যেই বিশেষ দিনে দুপুরের খাবারের পাতে বিশেষ কোনও পদ রাখার চেষ্টা করা হয়। তালের মরশুমে এবার তালের বিভিন্ন পদ পড়ুয়াদের খাওয়ানো হয়েছে।” 

জেলার প্রত্যন্ত একটি স্কুল শিবদা নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়। পড়ুয়ার সংখ্যা বর্তমানে ২২৯ জন। রয়েছেন পাঁচজন শিক্ষক-শিক্ষিকা। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত হয় পঠনপাঠন। নিয়ম করে পড়ুয়াদের ভাত, ডাল, তরকারি দেওয়া হয় মিড ডে মিলে। একদিন তো অন্যকিছু করাই যায়! আর তাই ‘তাল উৎসব’ (Taal Utsav) করার সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষকরা। মূলত ভাদ্র মাস মানেই তাল পাকার মরশুম। বাংলার গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ফলকে ঘিরে হারিয়ে যাওয়া নানা খাবারের সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচয় করিয়ে দিতে অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর সেই কারণে গত শনিবার মিড ডে মিলের সঙ্গেই পড়ুয়াদের দেওয়া হল তালের ফুলুরি, লুচি থেকে বড়ার মতো ঘরোয়া নানা পদ। 

Advertisement

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমেন পাঁজা বলেন, ”এটা নতুন কিছু নয়। মাঝেমধ্যেই বিশেষ দিনে দুপুরের খাবারের পাতে বিশেষ কোনও পদ রাখার চেষ্টা করা হয়। তালের মরশুমে এবার তালের বিভিন্ন পদ পড়ুয়াদের খাওয়ানো হয়েছে।” প্রধান শিক্ষকের কথায়, মিড ডে মিলের রান্নার চার জন দিদিই তালের ফুলুরি, তালের লুচি, তালের বড়া-সহ এই খাবারগুলি তৈরি করেছেন। এহেন অভিনব উৎসবে শুধুমাত্র পড়ুয়ারাই খুশি নন, উচ্ছ্বসিত শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। তাঁদের কথায়, শুধু পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন নয়, স্থানীয় সংস্কৃতি ও গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা খাদ্য-ঐতিহ্যের সঙ্গেও নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করানো জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তাল উৎসবের আয়োজন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.