রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: গার্ডেনরিচে (Garden reach) নির্মীয়মাণ বহুতল বির্পযয়ের পর নড়েচড়ে বসেছে পুরসভা। আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে বেআইনি নির্মাণ। তা নিয়েই বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় (Asok Kumar Ganguly)। সেখানে প্রশাসন ও মেয়রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছিলেন তিনি। প্রশ্ন তুলছিলেন কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়েও। সেই সময় তাঁকে কার্যত ‘নিরস্ত্র’ করতে ফোন আসে কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim)। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কথা হয় দু’জনের। অশোকবাবু জানান, সাংবাদিক বৈঠকের মাঝে এর আগে এরকম হয়নি। বাড়ির লোক ফোন করলেও সরকারি উঁচু পদে থাকা কেউ তাঁকে এইভাবে ফোন করেননি।
গার্ডেনরিচে নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে মারা যান ১১ জন। শহরের বেআইনি নির্মাণ নিয়ে ঝড় ওঠে রাজ্য রাজনীতিতে। সেই দিনই ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের বাম আমলকে দোষারোপ করেন মেয়র ফিরহাদ হামিক। তার পর থেকে বেশ কিছু বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় কলকাতা পুরসভা। ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্দেশ্যে জারি করা হয় বেশ কিছু নির্দেশিকা। তবে বিরোধীরা পালটা অভিযোগ তোলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও পুর-প্রশাসনের দিকে।
[আরও পড়ুন : ‘যাদবপুরে ফুটবে পদ্মই’, প্রচারে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দাবি বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণের]
বৃহস্পতিবার এই নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন অশোক গঙ্গোপাধ্যায়। বৈঠকে কলকাতা পুরসভা ও প্রশাসনের দিকে আঙ্গুল তোলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তাঁকে ফোন করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মেয়র তাঁকে বলেন, বেআইনি বাড়ি হয়েছে বাম আমলে। প্রাক্তন বিচারপতি তাঁকে বলেন, “তাহলে সেগুলি ভেঙে দেন নি কেন?”। এই নিয়ে তাঁদের বেশকিছুক্ষণ কথা হয় তাঁদের।
[আরও পড়ুন : ভোটের দিনগুলিতে রাজ্যে সরকারি ছুটি, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের, বেসরকারি কর্মীরা পাবেন কি?]
সর্বশেষ খবর
-
মিরিকে ধস, জলমগ্ন আলিপুরদুয়ার, তোর্সায় বেড়েছে জল, বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে দুর্ভোগে পর্যটকরা!
-
শিল্পের খরা কাটছে জঙ্গলমহলে! ইকো টুরিজমে ভরসা করে কর্মসংস্থানের ডাক ঝাড়গ্রামে
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…