রাস্তা পার হওয়ার সময় কানে হেডফোন বা ইয়ারফোন থাকলে পুলিশই এগিয়ে এসে বলে, ‘কান থেকে ইয়ারফোনটা খুলুন।’ এমনকী ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হলে জরিমানা পর্যন্ত ধার্য করতে পারে পুলিশ। কিন্তু, খোদ পুলিশই যদি নিয়ম না মানে, তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবে! এবার তাই পুলিশকর্মীদের জন্যই এল কড়া নির্দেশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় কেউ হেডফোন কিংবা ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারবে না। নির্দেশিকা উপেক্ষা করলে কড়া শাস্তির মুখেও যে পড়তে হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে।
আরও পড়ুন:
নতুন সরকার আসার পর, পুলিশ প্রশাসনও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। যেখানে যত অনিয়ম আছে, সবটাই সংস্কারের চেষ্টা করছে শুভেন্দু-সরকার। শুধু তাই নয়, বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও।
কর্তব্যরত অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে আগে থেকেই ছিল নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু দায়িত্বরত পুলিশকর্মীদের উপর নজর রেখে দেখা গিয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থাতেই পুলিশের একাংশ কান কিংবা চোখ রাখছেন মোবাইলে। কেউ ভিডিয়ো দেখতে ব্যস্ত, কেউ আবার গান শুনতে। এমনকী দেখা গিয়েছে, কানে ইয়ারফোন দিয়ে কর্মীরা এমনভাবে গান শুনছেন যে বাইরের শব্দ কানে আসাই দুষ্কর হয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশকর্মীদের হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার না করার নির্দেশ কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দর । এরপরেও ব্যবহার করতে দেখা গেলে শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীকে। শনিবার রাতে এই নির্দেশ পৌঁছেছে পুলিশের কাছে।
নতুন সরকার আসার পর, পুলিশ প্রশাসনও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। যেখানে যত অনিয়ম আছে, সবটাই সংস্কারের চেষ্টা করছে শুভেন্দু-সরকার। শুধু তাই নয়, বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। পুলিশের যাতে কোনও ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি না থাকে, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই কলকাতা পুলিশের কর্মীদের জন্য লালবাজারের এই নির্দেশ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
এখনও অনশনে সোনম, ‘স্বাধীনতার লড়াই’য়ে হাসপাতাল থেকে কী বার্তা ‘র্যাঞ্চো’র?
-
মেসি রাখি না ইয়ামাল রাখি? ফাইনালের ধর্মসংকটেও ‘বিন্দাস’ মেজাজে বার্সেলোনা সমর্থকরা
-
‘কুত্তাকে পোছে, আমাকে না’, শাহের বৈঠকে ডাক না পেয়ে বিস্ফোরক অনন্ত মহারাজ
-
‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার লঞ্চে চোখে কালো চশমা, মঞ্চে উঠেই কেন ক্ষমা চাইলেন ‘রাম’ রণবীর?
-
হুঙ্কারই সার! ‘স্যাটাভাঙা’ মন্তব্যে থানায় থানায় মাথা নিচু করে হাজিরা দিচ্ছেন হুমায়ুন