অর্ণব আইচ: সেনা গোয়েন্দাদের সাহায্যে কলকাতা (Kolkata) থেকে উদ্ধার জালনোট। ইস্টার্ন কমান্ডের সেনা গোয়েন্দা ও কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের টিম যৌথভাবে পূর্ব কলকাতার প্রগতি ময়দান এলাকায় হানা দেয়। মহসিন খান ওরফে বাবু ও তনয় দাস নামে দুই জাল নোট পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। বুধবার ধৃতদের ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে তাদের আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।
মঙ্গলবার সেনা গোয়েন্দাদের কাছে খবর আসে যে, কলকাতায় প্রচুর জাল নোট (Fake Currency) পাচার করতে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনার দুই কুখ্যাত জাল নোট পাচারকারী। সেইমতো সেনা গোয়েন্দা ও এসটিএফের টিম প্রগতি ময়দান এলাকার বাইপাসের উপর ক্যাপ্টেন ভেড়ির কাছে ফাঁদ পাতে। শহরে জাল নোট পাচার করতে এসেই গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ে দুই পাচারকারী। তাদের কাছ থেকে ১১২৯টি পাঁচশো টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়।
[আরও পড়ুন: দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, দৈনিক মৃতের সংখ্যা নিয়ে চিন্তা অব্যাহত]
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, তারা ওড়িশা থেকে কলকাতায় ওই জাল নোট নিয়ে এসেছে বলে দাবি করেছে। তবে বাংলাদেশে তৈরি জাল নোট মালদহ হয়ে কলকাতা হয়ে প্রথমে ওড়িশা, আবার ফের কলকাতায় পাচার হয়েছে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আবার ভিনরাজ্যের কোথাও এই জাল নোট তৈরি করা হয়েছিল কি না, তাও জানার চেষ্টা হচ্ছে।
ধৃতদের মধ্যে মহসিন খান বারাসত ও তনয় দাস নিমতার বাসিন্দা। তারা এর আগেও জাল নোট পাচার করেছে। কখনও তারা একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণ জাল নোট বিক্রি করে, আবার কখনও তারা কয়েকটি করে জাল নোট বিভিন্ন বাজারে চালায়। তাদের জেরা করে এই চক্রের বাকিদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: বঙ্গে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতা-সহ ২ জেলায় একদিনে আক্রান্ত শতাধিক]
সর্বশেষ খবর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের
-
দুর্গাপুজোর শেষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান! গুসকরার এই জমিদার বাড়িতে কেন দশমীতে হয় না ঘট বিসর্জন?