Kolkata's burnt woman feeds her baby

মায়েরা সব পারে, পুড়ে যাওয়া স্তনবৃন্তেই সন্তানকে দুধ খাওয়ালেন বাঁশদ্রোণীর তরুণী

২৫% পুড়ে যাওয়ার পরেও নিপল শিল্ডের মাধ্যমে সন্তানকে স্তন্যপান করান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২২, ২২:৫৫

options
link
মায়েরা সব পারে, পুড়ে যাওয়া স্তনবৃন্তেই সন্তানকে দুধ খাওয়ালেন বাঁশদ্রোণীর তরুণী

অভিরূপ দাস: মাত্র ৫৫% শিশু ছ’মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পায়। ‘ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি সার্ভে’র এই সমীক্ষা শহরাঞ্চলের জন্য আরও খারাপ। শহরতলির মাত্র ৫৪% শিশু ছ’মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পায়। তবে কি বুকের দুধ খাওয়াতে অনীহা শহুরে মায়েদের? নেতিবাচক চিন্তা আটকে দিলেন স্মিতা শীল। দক্ষিণ শহরতলির বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা পোড়া স্তনেই দুধ খাওয়ালেন শিশুকে।

Advertisement

আগুন লেগে স্তনবৃন্ত পুড়ে যায় ছাব্বিশ বছরের স্মিতার। তখন তিনি দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা। রান্নাঘরে জল ভরছিলেন। প্রথমে আগুন লাগে চুলে। সেখান থেকে সিন্থেটিক শাড়িতে। স্তনের ২৫% পুড়ে যায়। অগ্নিদগ্ধ স্মিতাকে প্রথমে ভরতি করা হয়েছিল বাইপাসের ধারের এক হাসপাতালে। সেখান থেকে আনন্দপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। আজ বাদে কাল সন্তান হবে। দুধ খাওয়াতে পারব তো? এমন চিন্তাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল স্মিতাকে। মানসিক অবসাদে ডুবে গিয়েছিলেন। ডা. রাজেশকুমার সিং জানিয়েছেন, খালি চোখে দেখা যাচ্ছিল না কোনও নর্মাল ব্রেস্ট টিস্যু। পুড়ে গিয়েছিল স্তন বৃন্ত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Mom

Advertisement

[আরও পড়ুন: জাপানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, জারি সুনামির সতর্কতা]

স্বাভাবিকভাবেই ওই মহিলা অবসাদগ্রস্ত পয়ে পড়েন। নার্সরা তাঁর কাউন্সিলের দায়িত্ব নেন। নির্দিষ্ট সময়ের পর সন্তান জন্ম দেন স্মিতা। ততদিনে তাঁর পোড়া শুকিয়ে গিয়েছে। পোড়া স্তন বৃন্ত জরিপ করে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন এখান থেকে দুধ খাওয়া সম্ভব নয়। সে জায়গায় লাগানো হয় নিপল শিল্ড। সিলিকনের তৈরি এই শিল্ড লাগানোর পর ব্রেস্ট পাম্প করা হয় স্মিতার। ডা. রাজেশ কুমার সিং জানান, চ্যালেঞ্জ নিয়ে ওই শারীরিক অবস্থাতেই সন্তানকে দুধ পান করান তিনি।

দেড় মাস হয়ে গেল নিজের স্তনের দুধই খাওয়াচ্ছেন শিশুকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুর জন্মের পরে, প্রথম ঈষৎ হলুদ বর্ণের যে গাঢ় দুধ নিঃসৃত হয়, তাকে ‘কলোস্ট্রাম’ বলা হয়। ‘কলোস্ট্রাম’ নবজাতকের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। কারণ, এতে পুষ্টিগুণ ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের ‘ইমিউনোগ্লোবিউলিন’ থাকে, যা নবজাতককে ভবিষ্যতে কয়েকটি রোগ থেকে মুক্ত রাখে। শহরাঞ্চলে মাতৃদুগ্ধ পান করানোর প্রবণতা কমছে। স্মিতা তাঁদের কাছে উদাহারণ হতে পারেন।

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি যেতে বাধা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি টেট উত্তীর্ণদের, রণক্ষেত্র হাজরা মোড়]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.