Calcutta High Court

৩ বিচারপতির সই জাল করে ভুয়ো প‌্যানেল, হাই কোর্টে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ!

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিদের নাম করে জালিয়াতি! আদালতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠল। এমনকী, ওই টাকা নিয়ে চাকরির ভুয়ো প‌্যানেল তালিকা তৈরি করেছে জালিয়াতরা।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ২৩:৩৫

options
link
৩ বিচারপতির সই জাল করে ভুয়ো প‌্যানেল, হাই কোর্টে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ!
কলকাতা হাই কোর্ট। ফাইল ছবি

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিদের নাম করে জালিয়াতি! আদালতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠল। এমনকী, ওই টাকা নিয়ে চাকরির ভুয়ো প‌্যানেল তালিকা তৈরি করেছে জালিয়াতরা। ওই ডিজিটাল নথিতে তিনজন বিচারপতির জাল সইও রয়েছে বলে অভিযোগ। টাকা হাতানোর পর ধরা পড়ে অভিযোগকারীকে অর্থ ফেরতের নামে ব্যাঙ্কের একটি চেকও দেওয়া হয়। কিন্তু ওই চেক বাউন্স করে। তারপরই ওই ব‌্যক্তি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, বাঁশদ্রোণীর নিরঞ্জনপল্লি এলাকার বাসিন্দা ওই ব‌্যক্তির অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে এক ব‌্যক্তির পরিচয় হয়, যে নিজেকে হাই কোর্টের কর্মী ও প্রভাবশালী বলে পরিচয় দেয়। হাই কোর্টে স্টেনো পদে নিয়োগ হচ্ছে বলে জানানো হয়। অভিযোগকারী তাঁর এক ভাই ও এক ভাইপোর চাকরির জন‌্য খোঁজখবর নেন। অভিযুক্ত তাঁকে বলে, তার সঙ্গে অনেক বিচারপতির পরিচয় আছে। তাই চাকরি পেতে অসুবিধা হবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ব‌্যাপারে কথাবার্তা শুরু হলে দুই চাকরিপ্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে ব‌্যক্তিটি হাই কোর্টে গিয়ে ঘুরিয়েও নিয়ে আসে। যদিও কোনও বিচারপতির সঙ্গে দেখা করায়নি। এরপর সে অভিযোগকারীকে বলে, দু’জনের চাকরির জন‌্য পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। দরাদরিতে সে চার লাখ টাকায় নামে। সাত দফায় অভিযোগকারী ওই ব‌্যক্তিকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা অনলাইন ও নগদে দেন। এরপর তাঁকে ডিজিটাল তালিকা পাঠানো হয়। সেখানে ৫১ ও ৫২ নম্বরে ওই দুই চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে বলে দেখা যায়। ওই তালিকায় জাল সই ছিল তিন বিচারপতির।

Advertisement

এরপর নিয়োগের পদ্ধতি জানতে অভিযোগকারী ওই অভিযুক্তর বাড়িতে যান। সেখানেই তিনি দেখতে পান আরও অনেক চাকরিপ্রার্থী এসে জড়ো হয়েছেন। তাঁরাই অভিযোগকারীকে জানান যে, টাকা নিয়ে ওই তালিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তালিকাটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। তারপর থেকেই অভিযোগকারীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে অভিযুক্ত। যদিও অভিযুক্তের বাড়ি গিয়ে টাকা ফেরতের জন্য চাপও দেওয়া হয়। একপ্রকার বাধ‌্য হয়েই অভিযুক্ত একটি ‘পোস্ট ডেট’ ব্যাঙ্কের চেক দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তিকে। কিন্তু সেই চেকও বাউন্স হয়। এরপরই ওই ব্যক্তি বাঁশদ্রোণী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, এই কাজ একার নয়। এর পিছনে কোনও চক্র রয়েছে। তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.