Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Human Hair Business

চুলের ব্যবসায় চাপে বাংলা, বাজার দখলে এগিয়ে পড়শি দেশ

কেন্দ্রীয় নীতি, শুল্কের চাপে নাভিশ্বাস মানব চুলের ব্যবসার।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৩:৩৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৩:৩৩

options
link
চুলের ব্যবসায় চাপে বাংলা, বাজার দখলে এগিয়ে পড়শি দেশ zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

কেন্দ্রীয় নীতি, শুল্কের চাপে নাভিশ্বাস মানব চুলের ব্যবসার। অথচ বছরে প্রায় ৯.২ বিলিয়ন ডলার আসে এই কারবার থেকে। তাছাড়া মায়ানমারের দাপটেও কোণঠাসা এই শিল্প। যার উপর দাঁড়িয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর-চণ্ডীপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা এবং মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা সংলগ্ন অর্থনীতি। প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত এই শিল্পে। কিন্তু এখন চুলের রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় একই জায়গায় দাঁড়িয়ে গত কয়েক বছর। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়েস্ট বেঙ্গল হিউম্যান হেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। তাঁরা কেন্দ্র ও রাজ্য, দুই সরকারের কাছেই সমস্যা মেটাতে বারবার দরবার করছেন।

সংগঠনের সম্পাদক মনোজ সামন্ত, আরও দুই সদস্য পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা মানুদ মল্লিক ও শেখ মুকুল আলির দাবি, “সরকার নজর না দিলে এই শিল্প ক্রমশ সমস্যায় পড়বে। মায়ানমার, এমনকী, প্রতিবেশী বাংলাদেশও এই ব্যবসায় এগিয়ে যাচ্ছে শুল্ক নীতির কারণে। ভারতে যা কম করে সাড়ে ১৮ থেকে ২৩ শতাংশ লাগছে, সেখানে ওই দুই দেশের লাগছে সাত থেকে ১০ শতাংশ। ফলে এর সবচেয়ে বড় বাজার, চিনে রপ্তানির দখল নিচ্ছে তারাই।” পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২০০ রপ্তানিকারক রয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরে এর প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণ কুটির শিল্প হয়ে উঠেছে, যা ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে সেখানকার অর্থনীতি।” বুধবার কলকাতায় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দপ্তরের কর্তা ও মন্ত্রী অশোক দিন্দার সামনে সংগঠনের তরফে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়। এখন একেবারে কাঁচা চুল কেনার পর এক্সটেনশন করার কাজ বঙ্গেই করানো যায়। আগে যা করাতে দ্বারস্থ হতে হত চেন্নাইয়ের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখন ভগবানপুর, চণ্ডীপুর, বেলডাঙাতেই অনেক ইউনিট তৈরি হয়েছে। কিন্তু কাঁচামালের জোগান বড় সমস্যা বলে দাবি করেছেন মাসুদ মল্লিক। তিনি বলেন, “কাঁচা চুলই তো বিদেশে চলে যাচ্ছে। এখানকার ইউনিট সব সময় কাজ পাচ্ছে কোথায়। এখন এক কেজি কাঁচামাল বা বুলি হেয়ারের দাম ৬৫ ডলার, যার অধিকাংশ চলে যাচ্ছে মায়ানমার। চিনও একইভাবে এজেন্ট নিয়োগ করে কাঁচামাল নিয়ে যাওয়ার কাজ কিছুটা হলেও শুরু করেছে। সেটাই এখানকার ব্যবসায়ী অথবা রপ্তানিকারকদের কাছে সব চেয়ে বড় ধাক্কা। আগে রপ্তানিতে অনুমতি লাগত।” এখন ৬৫ ডলার দাম দিলেই কিনে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া যাচ্ছে, সেটাই উদ্বেগের কারণ। সংগঠনের দাবি, কাঁচা চুল রপ্তানিতে লাগাম টানুক কেন্দ্র। ব্যবসায় যে ইনসেনটিভ বা উৎসাহ ভাতা দেওয়া হত তা ৫ শতাংশ থেকে কমে এক শতাংশের নিচে। সেটা নিয়েও ভাবা দরকার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.