ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যে শিল্প খরা কাটানোই লক্ষ্য শুভেন্দু প্রশাসনের। ইতিমধ্যে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। রয়েছে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স গোষ্ঠীও। রাজ্যে কমপক্ষে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে তারা। বুধবার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে শিল্পের জন্য জমি বিতরণ অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সেকথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন:
এদিন তিনি বলেন, “আম্বানিদের গোষ্ঠী রাজ্যে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। শীঘ্রই তাদের একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসতে পারে।” বলে রাখা ভালো, গত সোমবার বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে আম্বানিদের বাসভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী। গণেশ পুজোয় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নৈশভোজও সারেন। এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি শেয়ারও করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন আরও একবার জানান, তাঁর লক্ষ্য শুধু বিনিয়োগ নয়। বিনিয়োগের মাধ্যমে আদৌ বাংলায় কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কিনা, সেটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণেই সবদিক খতিয়ে দেখে তবে বিনিয়োগকারীদের রাজ্যে শিল্প তৈরির বন্দোবস্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি। সল্টলেক, অঙ্কুরহাটি, ফলতা, উলুবেড়িয়া, কল্যাণী, নৈহাটি, খড়গপুর, পানাগড়, রঘুনাথপুর, কোচবিহারে শিল্পাঞ্চল তৈরির ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে শিল্পনীতি তৈরি হবে বলেও আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শিল্পবান্ধব বাংলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনওরকমভাবে হুমকি কিংবা তোলাবাজির অভিযোগ উঠলে, তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। সমস্যা মেটাতে টোল ফ্রি নম্বরও চালু করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিন বাংলার শিল্প প্রসঙ্গে আলোচনার মাঝে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনাও করেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
-
স্থানীয়দের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমা, বাংলার এই দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনেও রয়েছে বিশেষ চমক