Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kharagpur Durga Puja

স্থানীয়দের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমা, বাংলার এই দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনেও রয়েছে বিশেষ চমক

সন্ধিপুজোর ঠিক আগে ও পরে আতসবাজি ফাটানোর রেওয়াজ আজও পালন করা হয়।

অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ২২:৪১

link
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ২২:৪১

options
link
স্থানীয়দের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমা, বাংলার এই দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনেও রয়েছে বিশেষ চমক zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত
Advertisement

পরম্পরা মূল বৈশিষ্ট্য রেলশহর খড়গপুরের খড়িদা বাজার এলাকার মিত্র পরিবারের দুর্গাপুজোর। প্রয়াত জমিদার সন্তোষ মিত্রের হাত ধরে বাড়ির উঠোনে ১৯৩৩ সালে নির্মাণ করা হয় মাতৃমণ্ডপ। আর পরের বছর ১৯৩৪ সালে শুরু হয় দুর্গাপূজা। এবার পুজোটি ৯৩ বছরে পা দিল। আজও সেখানেই পুজো হচ্ছে। একচালায় তৈরি প্রতিমা পুজো সেই বছর থেকে শুরু হয়। যা আজও হয়ে চলেছে। শুধু তাই নয় সেই বছর নিমকাঠ দিয়ে তৈরি করা কাঠামোতই মায়ের পুজো হয়ে আসছে। পরিবারের সদস্য তথা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক আধিকারিক স্বপন মিত্র বললেন ” সেই সময় পুরীর রথযাত্রার রথ তৈরির মিস্ত্রীরা রংহীন এই কাঠামো তৈরি করেছিলেন নিম কাঠ দিয়ে। সেই কাঠামোতে আজও পুজো হয়ে আসছে। সামান্য মেরামতি ছাড়া আর কোনওরকম পরিবর্তন করা হয়নি।”

এই পরিবারের পুজোয় আধুনিকতার ছোঁয়া এখনও পর্যন্ত লাগে নি। ঐতিহ্য ও পরম্পরা মেনেই গোটা পুজো আবর্তিত হয়। ঢাকি থেকে শুরু করে পুরোহিত-সহ যাবতীয় কার্যকলাপ পুরনো ঐতিহ্য ও পরম্পরা মেনেই চলে আসছে। সেই শুরু থেকেই ঢাকির দল আসছে বংশ পরম্পরায় খড়গপুর গ্ৰামীণ এলাকার খেমাশুলি থেকে। কালন্দি পরিবারের ঢাকিরা বংশ পরম্পরায় জমিদার মিত্র পরিবারের ঢাক বাজিয়ে আসছেন। মেদিনীপুর থেকে বংশ পরম্পরায় পুরোহিত আসেন। তার সাথে দশমীর বিকালে প্রতিমা বিসর্জনের সময় আদিবাসীদের কাঁধে চেপে শহরের একাংশ এলাকা পরিক্রমা করে খড়িদা মন্দিরতলা পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের ঐতিহ্য একেবারে শুরু থেকেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ব্যাপারে পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের সদস্য স্বপন মিত্র বললেন “খড়গপুর শহরের লালডেঙ্গা এলাকা থেকে আদিবাসীদের একটি দল পরিবার সহ দশমীর সকালেই চলে আসেন। ওঁদের মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ জন পুরুষ এই মূর্তি সহ কাঠামো কাঁধে চাপিয়ে শহরের একাংশ পরিক্রমা করেন। তারপর খড়িদা মন্দিরতলা পুকুরে গিয়ে কাঠামো সহ মূর্তি বিসর্জন করা হয়।” পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন বিসর্জনের পর এই কাঠামো সারা রাত পুকুরে থাকে। পরেরদিন একাদশীর সকালে ওই আদিবাসীরা কাঠামোটি জল থেকে তুলে বাড়িতে পৌছে দিয়ে যান। এই পরিবারের মূর্তি ভাসানো হয় জলের দিকে মুখ রেখে। জানালেন স্বপনবাবু। তাঁর দাবি গোটা দেশে মূর্তি ভাসানোর এই বৈশিষ্ট্য আর কোথাও নেই। এই পরিবারে সন্ধিপুজোর ঠিক আগে ও পরে আতসবাজি ফাটানোর রেওয়াজ আজও পালন করা হয়। স্বপনবাবু জানালেন পুজোর সময় দেশের ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সমস্ত আত্মীয় স্বজন বাড়িতে চলে আসেন। একসঙ্গে পাত পেড়ে খাওয়া দাওয়া হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.